চলন্ত ট্রেনে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ‘ধর্ষণ’, অ্যাটেনডেন্ট গ্রেপ্তার

চলন্ত ট্রেনে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ‘ধর্ষণ’, অ্যাটেনডেন্ট গ্রেপ্তার

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : চলন্ত ‘লালমনি এক্সপ্রেসে’ ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ট্রেনটির অ্যাটেনডেন্টকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জানুয়ারি)  সকালে এ ঘটনা ঘটে

গ্রেপ্তার আক্কাছ গাজী বরিশাল সদরের শায়েস্তাবাদ সড়কের বাসিন্দা এবং তিনি সেলুন বেয়ারা (ভারপ্রাপ্ত অ্যাটেনডেন্ট) হিসেবে লালমনি ক্যারেজ অ্যান্ড ওয়াগন ডিপোতে কর্মরত।

এ ঘটনায় লালমনিরহাট রেলওয়ে থানার এএসআই রুহুল আমিন বাদী হয়ে ৯ (১) ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রেলওয়ে থানায় মামলা হয়েছে।

‘ধর্ষণের শিকার’ কিশোরীর (১৩) বাড়ি ময়মনসিংহের এক উপজেলায়। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এরই মধ্যে তাকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরীর মা গাজীপুরের একটি মেসে কাজ করেন। মেয়ে মাঝে মাঝেই মায়ের কাছে আসত এবং কয়েকদিন থেকে আবার গ্রামের বাড়ি ফিরে যেত।

মামলার বরাতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাতে কিশোরী জয়দেবপুর স্টেশনে আসে ময়মনসিংহে যাওয়ার জন্য। কিন্তু তার ট্রেনের বিলম্ব ঘটে। পরে রাত সোয়া ১২টার দিকে না বুঝেই ভুল করে সে লালমনি এক্সপ্রেসে উঠে পড়ে।

রাত আড়াইটার দিকে অ্যাটেনডেন্ট আক্কাস গাজী কিশোরীর কাছে টিকেট চেকিংয়ের জন্য যান। টিকেট না পেয়ে তাকে একটি আসনে বসিয়ে দেন অ্যাটেনডেন্ট।

পরে সকাল ৮টার দিকে কিশোরীকে আসন থেকে তুলে ট্রেনের ‘খ’ বগির ৭ নম্বর কেবিনের ভেতর নিয়ে যান অ্যাটেনডেন্ট। ট্রেনটি লালমনিরহাটের তিস্তা স্টেশনে পৌঁছায় সকাল সাড়ে ১০টায়। তখন ওই কেবিন থেকে কান্না ও চিৎকারের শব্দ শুনে পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে যান।

তখন কিশোরীকে উদ্ধার এবং অ্যাটেনডেন্টকে পুলিশ আটক করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

লালমনিরহাট রেলওয়ে থানার (জিআরপি) ওসি ফেরদৌস আলী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, এ ঘটনায় মামলা করার পর ‘লালমনি এক্সপ্রেস’ ট্রেনের কর্মী আক্কাস গাজীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী মেয়েটিকে লালমনিরহাটের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।