গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক
বাংলাদেশ পুলিশের পাঁচজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে দুজন অতিরিক্ত আইজিপিকে গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তবে এই তালিকায় নাম নেই অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ভারপ্রাপ্ত প্রধান আলি আকবর খানের। পদোন্নতির তালিকা প্রকাশের পরপরই তিনি স্বেচ্ছা অবসরের আবেদন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের বিশেষ পুলিশ সুপার (প্রশাসন) এ এ এম হুমায়ুন কবীর স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তার ঐচ্ছিক অবসর গ্রহণ এবং পিআরএল (অবসরোত্তর ছুটি)-এর আবেদনের বিষয়টি জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ডিআইজি (অর্গানাইজড ক্রাইম) ও ভারপ্রাপ্ত সিআইডি প্রধান আলি আকবর খান স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামী ২ জুলাই থেকে এক বছরের পিআরএল মঞ্জুরের জন্য তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর আবেদন করেছেন। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৪ ধারা অনুযায়ী তাঁর ঐচ্ছিক অবসরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১ জুন পুলিশ সদর দপ্তরের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আলি আকবর খানকে সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। মাত্র তিন দিনের মাথায় পদোন্নতি না পেয়ে তিনি চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।
আলি আকবর খান ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।
যাঁরা পদোন্নতি পেলেন
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌফিক আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পেয়েছেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, এনএসআই পরিচালক (ডিআইজি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অ্যাডমিন) ফারুক আহমেদ এবং ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক।
এ ছাড়া অতিরিক্ত আইজিপি গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি পেয়েছেন হাইওয়ে পুলিশ প্রধান মো. দেলোয়ার হোসেন মিয়া ও পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি এ কে এম আখতার হোসেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশের আলোকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫-এর গ্রেড-১ অনুযায়ী এই পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে যোগদানপত্র দাখিল করবেন। যোগদানের তারিখ থেকেই এই আদেশ কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।