জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন আইরিন খান

জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন আইরিন খান

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক

বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস ও হাইকমিশনে রাষ্ট্রদূত পদে কয়েকজনকে বদলি করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজনৈতিক বিবেচনায় কয়েকজনকে নতুন নিয়োগ দিতে যাচ্ছে সরকার। 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর মধ্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মানবাধিকারকর্মী আইরিন খান।

সূত্র জানায়, আর্জেন্টিনায় বাংলাদেশের নতুন ও প্রথম রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে প্রটোকল প্রধান ও সাধারণ সেবা বিভাগের মহাপরিচালক এ এফ এম জাহিদ-উল ইসলামকে। ইন্দোনেশিয়ায় মিশনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন বিভাগের মহাপরিচালক মো. আবুল হাসান মৃধাকে। এ ছাড়া ডেনমার্কে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জকি আহাদ। বর্তমানে তিনি মরিশাসে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আয়ারল্যান্ডে আমাদের রাষ্ট্রদূত পদটিও খালি আছে। সেখানে পররাষ্ট্র ক্যাডারের ২১ ব্যাচের কাউকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে লন্ডনসহ আরও কয়েকটি মিশনে রাষ্ট্রদূত পদ খালি রয়েছে। সেখানে রাজনৈতিক বিবেচনায় রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান ফরেন সার্ভিস একাডেমির রেক্টর ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিতকে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ ছাড়া নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন মানবাধিকারকর্মী আইরিন খান। তিনি সরকারের প্রভাবশালী এক ব্যক্তির আত্মীয় বলে জানা গেছে। পর্তুগালেও রাষ্ট্রদূত পদ খালি আছে। সেখানে সেনাবাহিনীর শীর্ষ এক কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব পদেও পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। বর্তমান পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামকে সরিয়ে নতুন পররাষ্ট্রসচিব হিসেবে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের অত্যন্ত আস্থাভাজন এবং জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে তার নির্বাচনে ব্যাপক কূটনৈতিক প্রচার চালান সালাহউদ্দিন নোমান। এর পুরস্কার হিসেবে তাকে পররাষ্ট্রসচিবের পদ দেওয়া হচ্ছে।

বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগ থেকে চারটি পৃথক আদেশে পর্তুগাল, পোল্যান্ড, মেক্সিকো ও মালদ্বীপে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত যথাক্রমে এম মাহফুজুল হক, মো. ময়নুল ইসলাম, এম মুশফিকুল ফজল (আনসারী) ও মো. নাজমুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়।