দুদক চেয়ারম্যান নিয়োগ পেলেন বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান

বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ১৯৫৯ সালের ১ মার্চ নওগাঁর সাপাহার উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

দুদক চেয়ারম্যান নিয়োগ পেলেন বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক

সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

সোমবার (১৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুন গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

একই সঙ্গে দুদকের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।

চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পাওয়া বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ১৯৫৯ সালের ১ মার্চ নওগাঁর সাপাহার উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা এম এ সামাদ ছিলেন একজন খ্যাতিমান আইনজীবী।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা জেলা বারে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন আসাদুজ্জামান। এরপর ১৯৮৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে এবং ২০০১ সালের ২৫ অক্টোবর আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি।

২০০৩ সালের ২ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে যোগ দেন তিনি। ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট একই বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন।

২০২৫ সালের ২৫ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ থেকে অবসরে যান।

দুই কমিশনারের পরিচয়

ড. জাহাঙ্গীর আলম খান একজন কৃষি অর্থনীতিবিদ ও গবেষক। তিনি ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের পরিচালক ও বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সাবেক সভাপতি।

এর আগে তিনি বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এবং ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজের উপাচার্য ছিলেন। গবেষণায় অবদানের জন্য ২০২০ সালে তিনি একুশে পদক পান।

অপর কমিশনার ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সংস্থা কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাব এবং নিরীক্ষার মান তদারক করে।

সাজ্জাদ হোসেন সাবেক কর কমিশনার। তিনি বিসিএস আয়কর ক্যাডারের নবম ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন। ২০২৫ সালের মে মাসে দুই বছরের জন্য তাকে এফআরসির চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।