গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক
কালীগঞ্জে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের একটি কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় রিয়াজুল ইসলাম (২১) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার মোক্তারপুর ইউনিয়নের বড়গাঁও চৌরাস্তা এলাকায় জয়দেবপুর-ইটাখোলা আঞ্চলিক মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রিয়াজুল ইসলাম উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের চুয়ারিখোলা এলাকার ফরিদ খানের ছেলে। তিনি সেভেন রিংস সিমেন্ট কোম্পানিতে চাকরি করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে মোটরসাইকেল নিয়ে জয়দেবপুর-ইটাখোলা আঞ্চলিক মহাসড়ক ধরে চরসিন্দুরের দিকে যাচ্ছিলেন রিয়াজুল। পথে বড়গাঁও চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছালে তিনি সামনে থাকা এনা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসকে ওভারটেক করার চেষ্টা করেন। সে সময় বিপরীত দিক থেকে আসা প্রাণ-আরএফএল কোম্পানির একটি কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। এতে সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর কাভার্ড ভ্যানটি ফেলে রেখে পালিয়ে যান চালক।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার এবং কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
উল্লেখ্য : সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৫৩ ধারা অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বা আহত ব্যক্তিদের বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে সরকারি আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক পুনর্বাসনের লক্ষ্যে এই তহবিল পরিচালনা করা হয়।
এই আইন অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তির পরিবার সাধারণত পাঁচ লাখ টাকা এবং গুরুতর আহত ব্যক্তি চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। তবে এই সহায়তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেলে না। দুর্ঘটনার ৯০ দিনের মধ্যে ফরম-৩২ পূরণ করে সংশ্লিষ্ট জেলার বিআরটিএ সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করুন, আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করুন।
আরো জানতে…