খুচরা ব্যবসার লাইসেন্স পেতে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে এলজিইডি

দেশের মার্চেন্ট পয়েন্টগুলোতে থাকা অন্যান্য সব কিউআর কোড প্রতিস্থাপন করে—একমাত্র মানসম্মত পেমেন্ট ব্যবস্থা হিসেবে গত ১ জুলাই থেকে 'বাংলা কিউআর' ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

খুচরা ব্যবসার লাইসেন্স পেতে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে এলজিইডি

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক

খুচরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বিক্রেতাদের (মার্চেন্ট) ক্ষেত্রে ব্যবসার লাইসেন্স (ট্রেড লাইসেন্স) প্রদান ও নবায়নের শর্ত হিসেবে ‘বাংলা কিউআর’-এর মাধ্যমে লেনদেন বাধ্যতামূলক করতে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও জেলা প্রশাসনগুলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিডি)।

গত ৯ সেপ্টেম্বর জারি করা এক চিঠিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের এক যোগাযোগের প্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ডিজিটাল পেমেন্টের পরিধি জোরদার করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রশাসন-১ শাখার উপসচিব জিয়ামাত রহমান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে এই নিয়ম যথাযথভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। এছাড়া সকল পৌরসভার প্রশাসক এবং জেলা প্রশাসকদের তাঁদের নিজ নিজ জেলার অধীনস্থ ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

এর আগে, দেশের মার্চেন্ট পয়েন্টগুলোতে থাকা অন্যান্য সব কিউআর কোড প্রতিস্থাপন করে—একমাত্র মানসম্মত পেমেন্ট ব্যবস্থা হিসেবে গত ১ জুলাই থেকে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওই সিদ্ধান্তের পর বাংলা কিউআর গ্রহণকারী মার্চেন্টের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। গত ১ জুলাই যেখানে এই সেবা গ্রহণকারী মার্চেন্টের সংখ্যা ছিল প্রায় ১৬ লাখ, আগস্টের শেষ নাগাদ তা বেড়ে ৩০ লাখ ছাড়িয়ে যায়।

এছাড়া, গত ২৮ জুন থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত আট সপ্তাহে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে মোট ৩ হাজার ৫৭৮.৭৪ কোটি টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। একই সময়ে দৈনিক গড় লেনদেনের সংখ্যা জুলাইয়ের শুরুর দিকে ১.৭৮ লাখ থেকে বেড়ে আগস্টের শেষ সপ্তাহে ৩.০৩ লাখে উন্নীত হয়।