স্ত্রীকে হত্যা ও লাশ গুমের আড়াই মাস পর স্বামীর দেওয়া তথ্যে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার
গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : স্ত্রীকে হত্যা ও লাশ গুমের আড়াই মাস পর স্বামীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সেফটি ট্যাংক থেকে এক গৃহবধূর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার সকালে কালিয়াকৈরের চান্দরার একটি বাগানবাড়ির সেফটি ট্যাংক থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় জড়িত নিহতের স্বামী-সতীনসহ চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নিহতের নাম ফরিদা বেগম (৩৫)। তিনি পাবনার আটাইখোলা থানার শ্রীপুর এলাকার মনসুর আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী।
গ্রেপ্তাররা হলেন- মনসুর আলী (৫০), তার প্রথম স্ত্রী রেখা বেগম (৪০), প্রথম স্ত্রীর সন্তান স্বপন (২০) ও বাগানবাড়ির মালিকের স্ত্রী খাদিজা বেগম।
মনসুর আলী কালিয়াকৈরের চান্দরা খাজারটেক এলাকার মৃত আতাব উদ্দিন দেওয়ানের বাগানবাড়ির কেয়ারটেকার এবং তিনি দুই স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ওই বাগানবাড়িতে বসবাস করতেন।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন মজুমদার ও স্থানীয়রা জানান, প্রায় আড়াই মাস আগে হঠাৎ ফরিদা নিখোঁজ হন। তখন ফরিদা পালিয়ে গেছে বলে মনসুর আলী অপপ্রচার চালায়। ফরিদার স্বজনরা সম্ভব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে গত ৪ নভেম্বর কালিয়াকৈর থানায় মামলা করেন। পরে মনসুরের প্রথম স্ত্রী ও সন্তান স্বপনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এদিকে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঢাকার আশুলিয়ার শিমুলীয়ার দীঘিরপাড় এলাকা থেকে মনসুর আলীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তিনি স্ত্রীকে হত্যার এবং সেফটি ট্যাংকে লাশ গুমের বর্ণনা দেন।
বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার দেখানো মতে ওই বাগানবাড়ির সেফটি ট্যাংক থেকে ফরিদার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ গুমে সহযোগিতা করায় বাগানবাড়ির মালিকের স্ত্রী খাদিজা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য লাশ গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।



