গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : শ্রীপুরে শ্বাসরোধ করে হৃদয় (১২) নামে এক কিশোরকে হত্যার পর অটোরিকশা ছিনতাইয়ের অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (৭ জুন) ভোর ৪ টার দিকে সাতখামাইর দরগাহচালা (মাঝেরটেক) এলাকা থেকে নিহত কিশোরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
সত্যতা নিশ্চিত করেছেন শ্রীপুর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) আশীষ কুমার দাস।
নিহত মো. হৃদয় কাওরাইদ ফকিরপাড়া এলাকার মো. সেলিম মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত নিহতের প্রতিবেশী শহর আলীর নাতি ও অটোরিক্সা কারিগর ইমন (১৯) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। সে কাওরাইদ এলাকায় তার নানা বাড়িতে থাকে।
শ্রীপুর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) আশীষ কুমার দাস বলেন, ‘শনিবার বিকেলে হৃদয় তার বাবার অটোরিকশা নিয়ে চালানো শিখতে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে অভিযুক্ত ইমন অটোরিকশা পার্টস ক্রয়ের কথা বলে হৃদয়কে নিয়ে পার্শ্ববর্তী নয়নপুর বাজারে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে নয়নপুর সাতখামাইর সড়কের দরগাহচালা মাঝেরটেক এলাকার শালবনের ভেতর কিশোর হৃদয়কে রশি ও লতাপাতা দিয়ে বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। হত্যার পর মাথা মাটিচাপা দিয়ে রেখে অটোরিকশা নিয়ে চলে যায়। এদিকে নিখোঁজ কিশোর হৃদয় সন্ধ্যার পরও বাড়ি না ফেরায় তার পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে’।
এসআই আশীষ কুমার দাস আরো বলেন, ‘শনিবার আনুমানিক রাত ৮টার দিকে স্থানীয় বরমী বাজারের পাঠানটেক এলাকায় ওই যুবক অটোরিকশাটি বিক্রি করতে যায়। এসময় ক্রেতাদের প্রশ্নের মুখে সে অটোরিকশার মালিকানা প্রমাণে ব্যার্থ হয়। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ স্থানীয়রা ওই যুবককে আটক করলে নানা প্রশ্নে সে রাত ১২টার দিকে নিখোঁজ কিশোরের তথ্য প্রকাশ করে। পরে তাকে আটক করা হয়। পরে ইমন হত্যার কথা স্বীকার করে এবং শালবনের ভেতর কিশোরের পড়ে থাকা লাশের স্থান চিহ্নিত ও উদ্ধারে সহায়তা করে’।
এসআই বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আটক ইমনের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না তা আইনগত উপায়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে’।