মেঘনা ও পদ্মা নামে হচ্ছে নতুন আরো দুই বিভাগ

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : কুমিল্লাকে ‘মেঘনা’ ও ফরিদপুরকে ‘পদ্মা’ নামে বিভাগ করার বিষয়ে আবারও মত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় একটি প্রকল্প অনুমোদনের সময় প্রধানমন্ত্রী এ মত দেন বলে বৈঠক শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য জানান। একনেক সভায় মোট ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানান।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, সভায় ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার সময় কুমিল্লা ও ফরিদপুর বিভাগ করার ইস্যুটি নিয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। একনেক সভায় কুমিল্লা ও ফরিদপুর বিভাগের বিষয়ে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মেঘনা নদীর নামে কুমিল্লা ও পদ্মা নদীর নামে ফরিদপুর বিভাগ করার কথা বলেছেন।

একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে- মোংলা বন্দর থেকে চাঁদপুর-মাওয়া-গোয়ালন্দ হয়ে পাকশী পর্যন্ত নৌ-রুটের নাব্যতা উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩৪ কোটি টাকা। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ১০ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আওতায় চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে ক্রীড়া স্কুল প্রতিষ্ঠা প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

৫টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (সিলেট, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী এবং ফরিদপুর) বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইফনিট স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫৬ কোটি ৯ লাখ টাকা। প্রতি জেলা ও উপজেলায় একটি করে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৭১৩ কোটি টাকা।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের আইসিটি অবকাঠামো মানব সম্পদ ও প্রযুক্তি দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। ডিজিটাল গর্ভানমেন্ট ও অর্থনীতি সমৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫৪১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৮২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১৩ কোটি টাকা।