দুদিন ধরে ‘নীরব’ সোমালিয়ান জলদস্যুরা

দুদিন ধরে ‘নীরব’ সোমালিয়ান জলদস্যুরা

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আট দিন পর ২০ মার্চ জলদস্যুদের সঙ্গে যোগাযোগ হয় মালিকপক্ষের। এর মধ্য দিয়ে মধ্যস্থতা হবে এমন আশা জেগে উঠেছিল। তবে যোগাযোগ শুরু হলেও জাহাজের মালিকপক্ষের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো প্রস্তাব পাঠায়নি জলদস্যুরা।

শুক্রবার (২২ মার্চ) কবির গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সোমালিয়ান জলদস্যুদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে গত বুধবার (২০ মার্চ) দুপুরে। তবে আজ (২২ মার্চ) পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি নেই। সমঝোতার বিষয়ে তারা কোনো ধরনের প্রস্তাব আমাদের দেয়নি। তাদের কোনো দাবি এখনো পর্যন্ত আমাদের জানানো হয়নি। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো নাবিকদের সুস্থভাবে ফিরিয়ে আনা। এরপর জাহাজটি উদ্ধার করা।’

মোজাম্বিক থেকে ৫৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত যাওয়ার পথে গত ১২ মার্চ বেলা দেড়টার দিকে ভারত মহাসাগরে জলদস্যুদের কবলে পড়ে ২৩ নাবিকসহ বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি আবদুল্লাহ’। জাহাজটি ১৯ মার্চ সংযুক্ত আবর আমিরাতে পৌঁছার কথা ছিল। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার কোনো বাংলাদেশি জাহাজ জলদস্যুদের অপহরণের শিকার হলো। এর আগে ২০১০ সালে একই কোম্পানির ‘এমভি জাহান মণি’ জাহাজ সোমালিয়ার জলসদ্যুরা ছিনতাই করেছিল। ওই সময় জাহাজে ২৫ ক্রু এবং ক্যাপ্টেনের স্ত্রীসহ মোট ২৬ ব্যক্তি ছিলেন। মুক্তিপণ দিয়ে ১০০ দিন পর জাহাজসহ তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।

এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি এখন সোমালিয়ার গদভজিরান উপকূলের কাছে নোঙর করা। এ জাহাজ জিম্মি হওয়ার আট দিন পর গত ২০ মার্চ মালিকপক্ষের (কবির গ্রুপ) সঙ্গে প্রথম যোগাযোগ হয়েছিল জলদস্যুদের।