নিজস্ব সংবাদদাতা : কালীগঞ্জে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দুই রাজনৈতিক দলের দুই নেতাকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে আইন অনুযায়ী গাজীপুর–৫ সংসদীয় আসনে নিয়মিত মনিটরিং করছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে কালীগঞ্জ উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে জনতার দলের মনোনীত প্রার্থী আজম খান দলীয় নেতা–কর্মীদের উপস্থিতিতে একটি উঠান বৈঠক করেন। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের আগে এ ধরনের সভা–সমাবেশ নিষিদ্ধ। খবর পেয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমার নেতৃত্বে সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
সে সময় ঘটনার সত্যতা পেয়ে ‘নির্বাচন আচরণবিধি বিধিমালা–২০২৫ এর ২৭ (খ) ধারা’ অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রার্থীর প্রতিনিধি হিসেবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন কালীগঞ্জ উপজেলা জনতার দলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ নোমান।
অন্যদিকে শনিবার দুপুরে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন পর্যবেক্ষণে গিয়ে নাগরী ইউনিয়নের পানজোড়া এলাকায় সড়কের পাশে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হক মিলনের ছবি সংবলিত নির্বাচনী ব্যানার ও বিলবোর্ড দেখতে পান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা। বিধিমালা অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের আগে কোনো ধরনের প্রচারণা চালানোর সুযোগ নেই।
এ ঘটনায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ‘নির্বাচন আচরণবিধি বিধিমালা–২০২৫ এর ২৭ (ক) ধারায়’ ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে সব ব্যানার ও বিলবোর্ড অপসারণ করা হয়। প্রার্থীর প্রতিনিধি হিসেবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন নাগরী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. সিরাজ মিয়া।