গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক
কথা বললেই পুলিশ ধরে নিয়ে যাবে—এমন সংস্কৃতি আর চলবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, মানুষ যদি কোনো সমস্যায় পড়ে, তাহলে সে যেন নির্ভয়ে কথা বলতে পারে। কথা বলার কারণে কাউকে হয়রানি করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।
শনিবার (২ মে) সন্ধ্যায় সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত দলীয় কর্মীসভায় তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘মানুষ যেন কথা বলতে পারে। কেউ যদি কোনো অপরাধ করে, তাহলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে—সেটা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু শুধু কথা বলার কারণে কাউকে হয়রানি করা চলবে না।’
সভায় বিপুল জনসমাগম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাস্তায় যাঁরা ভিড় করেছেন, তাঁদের সবাই বিএনপির কর্মী নন। তবু মানুষ রাস্তায় নেমেছে, কারণ তারা মনে করে বিএনপি এখনো সঠিক পথে আছে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, এই জনসমর্থন ধরে রাখতে হলে পরিশ্রম করতে হবে, ছাড় দিতে হবে।
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি ক্ষমতাসীন দলের কর্মী—এই মনোভাব মাথায় আনা যাবে না। এটি মাথায় আনলেই সব বরবাদ হয়ে যাবে।’
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, প্রতিটি আসনে প্রার্থী দিতে হবে এবং তার আগে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। সঞ্চালনায় ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমরান আহমদ চৌধুরী ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। এ ছাড়া বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সংসদের হুইপ জি কে গউছ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন, মিফতাহ সিদ্দিকীসহ সিলেটের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য এবং জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।