গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার কর্মকর্তাকে দেশটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বুধবার (১৪ অক্টোবর) এ-সংক্রান্ত সরকারি আদেশ জারি করেছে।
জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব কেয়া দেবনাথ স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, দলটি ১৫ থেকে ১৭ অক্টোবরের মধ্যে, কিংবা তার কাছাকাছি সুবিধাজনক সময়ে মালয়েশিয়া সফর করবে। এই তিন দিনের হিসাবে যাতায়াতের সময় ধরা হয়নি।
দলের নেতৃত্বে আছেন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী। সঙ্গে থাকছেন একই মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. হেদায়েতুল ইসলাম মণ্ডল। বাকি দুই সদস্য সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) থেকে এসেছেন। তাঁরা হলেন কোম্পানি সচিব মো. সাব্বির আহমেদ এবং উপমহাব্যবস্থাপক নাজমুন নাহার।
সফরের জন্য কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে:
- – যুগ্ম সচিব ও উপসচিবের সব খরচ বহন করবে মন্ত্রণালয়, আর বোয়েসেলের দুই কর্মকর্তার খরচ দেবে বোয়েসেল।
- – সবাই ভ্রমণ সুবিধা ও ভাতা দেশীয় মুদ্রায় বাংলাদেশ থেকে তুলবেন।
- – ট্রানজিটসহ পুরো সময় কর্মকর্তাদের কর্মকাল হিসেবে গণ্য হবে।
- – অনুমোদিত সময়ের বেশি বিদেশে থাকা যাবে না।
- – দেশে ফেরার পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে ভ্রমণ প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব কেয়া দেবনাথের স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এটি জারি করা হয়েছে।
গত ২১ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার জন্য ২৫টি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করে মালয়েশিয়ার বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএস। এর বাইরে আরও ৩১২টি এজেন্সিকে ‘অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটিং এজেন্সি’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে মালয়েশিয়া সরকার।
অথচ জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রার একাংশের নেতারা শুরু থেকেই দাবি করে আসছিলেন, সব রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলা রাখতে হবে।
তালিকা প্রকাশের পরও কীভাবে বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠানো হবে, কবে থেকে তা শুরু হবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় এজেন্সিগুলো বাছাই হলো, তা এখনো স্পষ্ট নয়।