লাজ ফার্মায় ভেজাল ওষুধ, ২৯ লাখ টাকা জরিমানা

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : অনুমোদনহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার অপরাধে লাজ ফার্মার ঢাকার কাকরাইল ফ্রাঞ্চাইজিকে ২৯ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার বিকালে র‌্যাব-৩ এর ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই ওষুধের দোকানে অভিযান চালায়।

র‌্যাব-৩ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ বসু বলেন, দোকান থেকে প্রায় ৮০ ধরনের অনুমোদনহীন বিদেশি ওষুধ এবং ২০ ধরনের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া যায়।

তিনি বলেন, “দোকানটির মালিক আব্দুস সাত্তার মোহাম্মদ। কিন্তু তাকে দোকানে পাওয়া যায়নি। তারা কোনো বৈধ ড্রাগ লাইসেন্সও দেখাতে পারেনি। একটি ড্রাগ লাইসেন্স দেখানো হয়েছে, কিন্তু সেটির মেয়াদ ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে শেষ হয়েছে।”

অনুমোদনহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করা হয়েছে জানিয়ে পলাশ বসু বলেন, “এসব ওষুধের অনুমানিক মূল্য ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা।”

এ ঘটনায় ওই দোকান থেকে সাতজনকে আটকের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “তাদের পাঁচজনকে পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ২৫ লাখ টাকা এবং দুইজনকে দুই লাখ করে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে তিন মাসে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে লাজ ফার্মার মহাব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, “দোকানে কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ থাকতে পারে। তবে আমাদের এখানে কেউ ওষুধ কিনতে আসলে প্রেসক্রিপশন দেখে একজন সেলসম্যান ওষুধগুলো সংগ্রহ করার পর আরেকজন মিলিয়ে দেখেন ঠিক আছে কি না। কোনো ওষুধের মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে তা গ্রাহককে দেওয়া হয় না। পরে আমরা কোম্পানিকে ফিরিয়ে দিয়ে নতুন ওষুধ নিয়ে থাকি।

“আর অনুমোদনহীন যেসব ওষুধের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো কিছু জীবন রক্ষাকারী ওষুধ রাখতে হয়। কেউ বিদেশ থেকে চিকিৎসা করিয়ে আসার পর তার দরকার হয়, আবার অনেক চিকিৎসক এসব ওষুধ লিখে থাকেন। এগুলো আমরা বৈধভাবে আমদানি করা কোম্পানির কাছ থেকে কাগজপত্র দেখে কিনে থাকি।”