গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : শ্রীপুরের এক ব্যক্তির সঙ্গে মুঠোফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ভালুকার হবিরবাড়ী এলাকার একটি পোশাক কারখানার এক তরুণী কর্মীর। শুক্রবার ওই ব্যক্তি কল করে তরুণীকে শ্রীপুরে যেতে বলেন। আরেক তরুণীসহ সেখানে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন তাঁরা।
শ্রীপুরে দুই পোশাককর্মী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে রোববার মামলা হয়েছে। শুক্রবার রাতের এই ঘটনায় করা মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তার চারজন হলেন মো. শাহিনুল (৩০), পিকআপভ্যানের চালক মো. কালাম (২৬), জাহাঙ্গীর আলম (৩০) ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক মো. বাবু (১৮)। অপর আসামি হলেন সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক মোকসেদুল ইসলাম (৩০)। তাঁকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
নির্যাতনের শিকার দুজনের মধ্যে একজনের বয়স ১৮ বছর। তাঁর বাড়ি কিশোরগঞ্জের মিটামইন উপজেলায়। অপরজনের বয়স ১৯ বছর। তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায়। তাঁরা ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার দুটি আলাদা কারখানার কর্মী। দুজন একসঙ্গে একটি বাসায় থাকেন।
নির্যাতনের শিকার নারীদের বরাত দিয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, এক ব্যক্তির সঙ্গে মুঠোফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে দুই তরুণীর একজনের। শুক্রবার ওই ব্যক্তি কল করে তরুণীকে শ্রীপুরে যেতে বলেন। ওই তরুণী অপরজনকে নিয়ে শ্রীপুরে যান। সেখানে তাঁরা নির্যাতনের শিকার হন। ওই ব্যক্তির নাম মো. শাহিনুল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, দুই নারী ২১ আগস্ট শ্রীপুরের উদ্দেশে রওনা দেন। সন্ধ্যার দিকে তাদের দুজনকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁরা গণধর্ষণের শিকার হন।
ওসি খন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, বাকি একজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ধর্ষণের শিকার দুই নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো