এভারকেয়ার হাসপাতালে হামলার শিকার নাগরীর চেয়ারম্যান: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালের (এ্যাপোলো হাসপাতাল) ভেতরে পরিকল্পিত হামলার শিকার হয়েছে নাগরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অলিউল ইসলাম অলি। এ ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৭ মার্চ) বিকেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্তরা হলো, কালীগঞ্জে অংশে থাকা পূর্বাচল এলাকার আহাদ আলীর ছেলে শিমুল (৩২), ঢাকার মহাখালী ওয়ারলেস গেইট এলাকার হাফিজুর রহমান দর্জির ছেলে বকুল (৪৪) এবং কালীগঞ্জের পাড়াবরতা এলাকার বাতেনের ছেলে মামুন সরকার (৩৭)।

এদের মধ্যে প্রধান আসামি শিমুলকে বসুন্ধরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা পুলিশ।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে নাগরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অলিউল ইসলামের অলি তার স্ত্রীকে ডাক্তার দেখাতে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে (এপোলো হাসপাতাল) যায়। বিকেল পাঁচটার দিকে চেয়ারম্যান অলি হাসপাতালের ভেতরে থাকা অবস্থায় পরিকল্পিত ভাবে অভিযুক্তরা চেয়ারম্যান অলিকে হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিত তার উপর হামলা চালায় এবং তাকে মারধর করে। একপর্যায়ে চেয়ারম্যানের গলা চেপে ধরে তাকে হত্যার চেষ্টা করে অভিযুক্ত শিমুল। তখন আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অভিযুক্তরা চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। হামলায় চেয়ারম্যানের বাম হাতের কব্জির হাড় ভেঙে গেছে। এ ঘটনায় সোমবার রাতে নাগরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অলিউল ইসলাম অলি বাদী হয়ে ভাটার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন {মামলা নাম্বার ১৭(৩)২২}।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এভারকেয়ার হাসপাতালের সিকিউরিটি কন্ট্রোল রুমের কর্তব্যরত কর্মকর্তা বেলাল হোসেন বলেন, ঘটনার পর তাৎক্ষণিক ভাটারা থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে পুলিশ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজেদুর রহমান বলেন, চেয়ারম্যান অলিউল ইসলামের উপর হামলার ঘটনা সোমবার রাতে মামলা দায়ের হয়েছে। এরপর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় বসুন্ধরা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ভোর রাতে প্রধান আসামি শিমুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, হামলার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সময়ের সিসি টিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলছে। গ্রেপ্তার শিমুলকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button