সর্বাধিক ভোট পেয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থায় ফিরল বাংলাদেশ

সর্বাধিক ভোট পেয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থায় ফিরল বাংলাদেশ

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থার সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আন্তর্জাতিক সংস্থাটির সাধারণ পরিষদে এই ভোটাভুটিতে বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশকে মানবাধিকার কাউন্সিলে নতুন সদস্য হিসেবে নেওয়া হয়।

বাংলাদেশের সঙ্গে তালিকায় রয়েছে আলজেরিয়া, বেলজিয়াম, চিলি, কোস্টারিকা, জর্জিয়া, জার্মানি, কিরগিজিস্তান, মালদ্বীপ, মরক্কো, রোমানিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, সুদান ও ভিয়েতনাম।

মানবাধিকার সংস্থায় এই দায়িত্বের মেয়াদ হবে ২০২৩ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত। তাদের কাজ হবে নিজ দেশের অভ্যন্তরে মানবাধিকার রক্ষাসহ বিশ্বে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় থাকা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভোটে ১৮৯ দেশের মধ্যে ১৬০টিকে পক্ষে পেয়েছে বাংলাদেশ।

এবারের জয় লাভের মাধ্যমে বাংলাদেশ ৪৭ সদস্যের এই ফোরামে পঞ্চমবারের মতো এল। এর আগে ২০০৬, ২০০৯, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে মানবাধিকার কাউন্সিলে সদস্য ছিল বাংলাদেশ।

এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ৭ প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশসহ চার দেশ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।

দ্বিতীয় সর্বাধিক ১৫৪ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছে মালদ্বীপ। আর ১৪৫ ভোট পেয়ে ভিয়েতনাম ও ১২৬ ভোট পেয়ে কিরগিজিস্তান তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান নিয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।

এই অঞ্চলে ১২৩ ভোট পেয়ে দক্ষিণ কোরিয়া এবং ১২ ভোট পেয়ে আফগানিস্তান নির্বাচনে হেরেছে। আর বাহরাইন আগেই নিজেদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছিল।

নির্বাচিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, “এই ধরনের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের ফল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানবাধিকারের উন্নয়ন ও সুরক্ষায় বাংলাদেশের অব্যাহত প্রচেষ্টা ও প্রতিশ্রুতির প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতির প্রকাশ।

“দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরতে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যের মাধ্যমে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর অপপ্রচারকেও নাকচ করে দিচ্ছে এই জয়।”

জাতিসংঘ সদরদপ্তরে মঙ্গলবারের ভোটাভুটির সময় বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।