
গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যয় ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) এমন বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে।
ইসি সূত্র জানায়, বুধবার নির্বাচনি বাজেট অনুমোদন হয়েছে। যেখানে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকা। যার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা ব্যয় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুকূলে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা আর গণভোট, পোস্টাল ব্যালট ও অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছ ৫০০ কোটি টাকার মতো।
ইসি সূত্র বলেন, প্রয়োজনে এ বাজেট আরও কিছুটা বৃদ্ধি করা হতে পারে।
আগের ১২ নির্বাচনের যত ব্যয়
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ব্যয় ছিল ২ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
২০১৮ সালে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা ও নির্বাচন পরিচালনার জন্য মোট ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। পরে তা আরও বেড়েছিল।
দশম সংসদ নির্বাচন
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ভোটে মোট ব্যয়ের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৬৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে নির্বাচন পরিচালনায় ৮১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পেছনে ব্যয় হয় ১৮৩ কোটি টাকা। এ নির্বাচনে ১৪৭ আসনে ভোট হয়, ১৫৩ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন একক প্রার্থীরা। অর্ধেক এলাকায় ভোট করতে হওয়ায় বরাদ্দের তুলনায় খরচ অনেক কমে আসে।
নবম সংসদ নির্বাচন
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের ভোটে ১৬৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়; যাতে ভোটার ছিল ৮ কোটি ১০ লাখের বেশি। উপকরণ ও ব্যবস্থাপনাসহ সব খাতে ব্যয় বাড়ার কারণে ধীরে ধীরে নির্বাচনি বরাদ্দও বাড়ে।
অষ্টম সংসদ নির্বাচন
মোট ব্যয় হয় ৭২ কোটি ৭১ লাখ টাকা।
সপ্তম সংসদ নির্বাচন
পরিচালনা বাবদ ব্যয় ১১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
ষষ্ঠ জাতীয় নির্বাচন
মোট ৩৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়।
পঞ্চম সংসদ নির্বাচন
পরিচালনা ও আইনশৃঙ্খলা খাতে ব্যয় হয় ২৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।
চতুর্থ সংসদ নির্বাচন
৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা।
তৃতীয় সংসদ নির্বাচন
৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা।
দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচন
ব্যয় হয় ২ কোটি ৫২ লাখ টাকা।
প্রথম সংসদ নির্বাচন
১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ ৩ কোটি ৫২ লাখ ৫ হাজার ৬৪২ জন ভোটারের এ নির্বাচনে ব্যয় ছিল ৮১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে, একইদিনে হবে গণভোট।



