গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক
গাজীপুরে এবার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বৃত্তি পেয়েছে মোট ১ হাজার ৭২৩ জন শিক্ষার্থী।
জেলার ছয়টি থানার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী গাজীপুর সদরে, সবচেয়ে কম কালীগঞ্জে।
রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রকাশ করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের মেধা অন্বেষণ, স্বীকৃতি প্রদান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে একটি জ্ঞানদীপ্ত প্রজন্ম উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মোট বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ৬৬০ জন এবং সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ১ হাজার ৬৩ জন শিক্ষার্থী।
থানাওয়ারি ফলাফলে দেখা যায়, গাজীপুর সদরে সবচেয়ে বেশি ৭০৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ২৪০ জন ও সাধারণ বৃত্তিতে ৪৬৪ জন।
এরপরের অবস্থানে থাকা কালিয়াকৈর থানায় বৃত্তি পেয়েছে ২৫৭ জন শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে ৯৮ জন ট্যালেন্টপুলে ও ১৫৯ জন সাধারণ বৃত্তিতে উত্তীর্ণ হয়েছে।
শ্রীপুর থানায় মোট ২৫০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এখানে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তিতে উত্তীর্ণের সংখ্যা প্রায় সমান—১২৫ জন করে।
টঙ্গী থানায় বৃত্তি পেয়েছে ১৯৪ জন শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে ৫৮ জন ট্যালেন্টপুলে ও ১৩৬ জন সাধারণ বৃত্তিতে উত্তীর্ণ হয়েছে।
কাপাসিয়া থানায় মোট ১৬২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে ৮৫ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৭৭ জন সাধারণ বৃত্তিতে উত্তীর্ণ হয়েছে।
সবচেয়ে কম বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী কালীগঞ্জ থানায়, মোট ১৫৬ জন। এর মধ্যে ৫৪ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ১০২ জন সাধারণ বৃত্তিতে উত্তীর্ণ হয়েছে।
যেভাবে ফল জানা যাবে
যেকোনও মোবাইল অপারেটর থেকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে DPE লিখে একটি স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফল জানা যাবে। এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের আইপিইএমআইএস (IPEMIS) ওয়েবসাইটে https://ipemis.dpe.gov.bd/scholarship-results ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা’ অপশন নির্বাচন করে রোল নম্বর, জেলা ও উপজেলার তথ্য দিয়ে বিস্তারিত ফলাফল ও মার্কশিট দেখা যাবে।
বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ গ্রেডে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ২২৫ টাকা করে বৃত্তি পাবে। পাশাপাশি উভয় শ্রেণির বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বছরে এককালীন ২২৫ টাকা করে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালীন দুই বছর তারা এই সুবিধা ভোগ করবে।