ইউপি চেয়ারম্যানের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক কেন নয়: হাই কোর্টের রুল

রিটকারীর যুক্তি, যে বিচার করতে একজন ম্যাজিস্ট্রেটের আইনে স্নাতক হতে হয়, গ্রাম আদালতে সেই একই রকম মামলা একজন ইউপি চেয়ারম্যান পরিচালনা করেন কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই।

ইউপি চেয়ারম্যানের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক কেন নয়: হাই কোর্টের রুল

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য প্রার্থীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত নির্ধারণ করার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাই কোর্ট।

একইসঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে ব্যর্থ ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২৬ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বুধবার (২২ জুলাই) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চ মঙ্গলবার এই রুল জারি করে।

স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগের (এলজিআরডি) সচিব, আইন সচিব এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান ও মো. তানভীর আহমেদ খান।

সাংবাদিকদের আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান বলেন, একজন চেয়ারম্যানকে নানা ধরনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে গ্রাম আদালত পরিচালনার ক্ষমতাও। তিনি জানান, সেখানে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের মামলা পরিচালনা করতে পারেন একজন চেয়ারম্যান। অথচ যে ম্যাজিস্ট্রেটের এই ধরনের ক্ষমতা রয়েছে, তাকে আইনে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করে বিজেএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।

স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এ চেয়ারম্যান পদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ নেই বলে জানান এই আইনজীবী। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, চেয়ারম্যানের যোগ্যতা সংক্রান্ত আইনের ২৬ ধারা তাই চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে এবং চেয়ারম্যান পদের জন্য ন্যূনতম স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা চাওয়া হয়েছে রিট আবেদনে।