গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা রয়েল গেট এলাকায় গভীর রাতে লরিচাপায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসের পাঁচ যাত্রী নিহত ও অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।
সোমবার রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।
নিহতদের মধ্যে একজন শিশু ও বাকি চারজন নারী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
হাইওয়ে পুলিশের বার আউলিয়া থানার ডিউটি অফিসার এসআই মো. নজরুমকে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “কুমিরা রয়েল গেট এলাকায় বাসটি দাঁড়ানো ছিল। সম্ভবত বাসটির চাকা পাংচার হওয়ায় মেরামত করছিল।
“যাত্রীরা পথের পাশে বসে ও দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় একটি লরি তাদের চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যায়। আহত ছয়জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।”
ঘটনাস্থলে নিহতদের পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নুরুল আলম আশেক সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “আহত ছয়জনের মধ্যে একজন নারী ও একজন শিশুকে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
“অন্য চারজন বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছেন।”
নিহত শিশু ৮ বছর বয়সী রাকিব নেত্রকোণার মদন থানার সীবাশ্রম এলাকার আজহারুলের ছেলে। নিহত নারীর পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।
আহতদের মধ্যে আছেন নিহত রাকিবের বাবা ৪২ বছর বয়সী আজহারুল ও মা ৪০ বছর বয়সী ফাতেমা।
আহতদের মধ্যে আরও আছেন নেত্রকোণার মদন থানার বড়কান্দার বাসিন্দা ৫০ বছর বয়সী আবুল হোসেন এবং অজ্ঞাতনামা আরও একজন।
ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া ফায়ার সার্ভিসের সীতাকুণ্ড স্টেশনের ফায়ার ফাইটার মো. আরিফুল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে জানান, “কিশোরগঞ্জগামী শাপলা পরিবহনের বাসটি রাস্তার পাশে দাঁড়ানো ছিল। এ সময় এসে একটি লরি তাদের চাপা দেয়।
“ঘটনাস্থলে তিনজন মারা যান। আহতদের মধ্যে দুজন পরে হাসপাতালে মারা গেছেন বলে শুনেছি।”
ঘটনাস্থল থেকে লরিটি আটক করলেও এর চালক পালিয়ে গেছেন বলে জানান হাইওয়ে পুলিশের এসআই মো. নজরুল।