গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় র্যাবের সঙ্গে ‘গুলি বিনিময়ে’ একাধিক মামলার আসামি হাসান (৩০) নামে এক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) রাত সাড়ে ৮ টার সময় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থল থেকে দুটি পিস্তল, আট রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন ও বিপুল পরিমান ইয়াবা উদ্ধার করেছে র্যাব।
র্যাবের দাবি সন্ত্রাসী হাসানের বিরুদ্ধে হত্যা, পুলিশের উপর হামলা, অস্ত্র ও মাদকসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
সত্যতা নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১ এর গাজীপুরের পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের স্পেশালাইজড কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন।
নিহত হাসান মাজার বস্তি এলাকার মৃত রুহুল আমীনের ছেলে।
র্যাব জানায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে টঙ্গীর মাজার বস্তির এলাকায় হাসানকে গ্রেপ্তারে অভিযানে যায় র্যাব-১ এর সদস্যরা। এ সময় হাসান ও তার সঙ্গের লোকজন র্যাবের উদ্দেশ্যে গুলি ছুড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় র্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালালে হাসান গুলিবিদ্ধ হন; অন্যরা পালিয়ে যান। হাসানকে উদ্ধার করে স্থানীয় শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় র্যাবের দুই সদস্যও আহত হয়েছেন।
সত্যতা নিশ্চিত করে কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে দুটি পিস্তল, আট রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন ও বিপুল পরিমান ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, নিহত হাসানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
উল্রেখ্য, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে টঙ্গীর মধুমিতা রোড এলাকায় র্যাবের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে সিরিয়াল ধর্ষক ও হত্যা মামলায় জড়িত আবু সুফিয়ান (২১) নামে স্থানীয় এক সন্ত্রাসী নিহত হয়। সুফিয়ান ও তার আরেক সহযোগী মিলে গত ১৫ মে মধুমিতা রেলপথের পাশে সাত বছরের এক কন্যা শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করে এবং লাশ ময়লার স্তুপে ফেলে পালিয়ে যায়। থানায় অজ্ঞাত আসামীদের নামে মামলা হওয়ার পরও র্যাব ছায়া তদন্ত করে ঘটনার ক্লু উদঘাটন ও ধর্ষকদের গ্রেফতার করে।
আরো জানতে……..
টঙ্গীতে র্যাবের সঙ্গে ‘গোলাগুলি’, সিরিয়াল ধর্ষক সুফিয়ান নিহত