গণমুক্তি জোটের প্রার্থী পরিচ্ছন্নতাকর্মী, হলফনামায় ২০ ভরি স্বর্ণ!

গণমুক্তি জোটের প্রার্থী পরিচ্ছন্নতাকর্মী, হলফনামায় ২০ ভরি স্বর্ণ!

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে প্রার্থী হয়ে আলোচনায় আসেন স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী মোসাম্মৎ রোকেয়া বেগম। গণমুক্তি জোট থেকে বৈধতা পাওয়া এই প্রার্থীর হলফনামার তথ্য নিয়ে নিজের মধ্যেই দেখা দিয়েছে সংশয়।

নির্বাচন কমিশনে তার দাখিল করা হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে স্বশিক্ষিত দেখানো হয়েছে। এছাড়া নিজেকে খামারি উল্লেখ করে বাৎসরিক আয় দেখানো হয়েছে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে নগদ টাকার পরিমাণ দেখানো হয় ৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

তবে নিজের হলফনামায় লেখা টাকার পরিমাণ সম্পর্কে নিজেই অবগত নন বলে জানান সংসদ সদস্য প্রার্থী পরিচ্ছন্নতাকর্মী রোকেয়া বেগম নিজেই। এছাড়া হলফনামায় স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ক্যাটাগরিতে দেখানো হয়েছে ২০ ভরি স্বর্ণ, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকার ও ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকার। এই তথ্য সম্পর্কেও কিছুই জানেন না প্রার্থী। তার আত্মীয় এই হলফনামার তথ্য পূরণ করেছে বলে জানান তিনি।

এছাড়া তার দুলাভাই হামিদুল ইসলামের উৎসাহ ও পরামর্শেই এমপি প্রার্থী হওয়ার কথা জানান পরিচ্ছন্নতাকর্মী মোসাম্মৎ রোকেয়া বেগম।

তবে নিজের হলফনামায় লেখা টাকার পরিমাণ সম্পর্কে নিজেই অবগত নন বলে সংবাদ মাধ্যমকে জানান সংসদ সদস্য প্রার্থী পরিচ্ছন্নতাকর্মী রোকেয়া বেগম নিজেই। এছাড়া হলফনামায় স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ক্যাটাগরিতে দেখানো হয়েছে ২০ ভরি স্বর্ণ, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকার ও ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকার। এই তথ্য সম্পর্কেও কিছুই জানেন না প্রার্থী। তার আত্মীয় এই হলফনামার তথ্য পূরণ করেছে বলে জানান তিনি।

এছাড়া তার দুলাভাই হামিদুল ইসলামের উৎসাহ ও পরামর্শেই এমপি প্রার্থী হওয়ার কথা জানান পরিচ্ছন্নতাকর্মী মোসাম্মৎ রোকেয়া বেগম।

বেগম রোকেয়া সংবাদ মাধ্যমকে জানান, তিনি স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে ও কখনও অন্যের বাসায় কাজ করে চলে সংসার চালান। স্বল্প বেতনে কোনোমতে দুই সন্তানের এ সংসার পরিচালনা করেন তিনি। ভ্যান চালক স্বামী পরিবারের ভরণ পোষণের কোনো খোঁজ খবর রাখেন না।