কাপাসিয়ায় হাসপাতালে নারী ও শিশুকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১

কাপাসিয়ায় হাসপাতালে নারী ও শিশুকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১

বিশেষ প্রতিনিধি : কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীর দুই সহযাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবার দুপুরে পৃথক দুটি ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. মামুন (৩০)। তিনি কাপাসিয়া উপজেলার রাওনাত গ্রামের বাসিন্দা।

কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান জানান, হাসপাতালের তৃতীয় তলায় বৃহস্পতিবার রাতে একই ওয়ার্ডে ভর্তি রোগী মামুন ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে বারান্দায় নিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। পরে শুক্রবার দুপুরে হাসপাতালের নিচতলার একটি নির্জন স্থানে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে নিয়ে একই অপকর্মের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

গ্রেপ্তার মো. মামুন

ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বলেন, ‘আমার মেয়েকে হাসপাতালের বারান্দায় নিয়ে কুপ্রস্তাব দেয়। রাতের অন্ধকারে তাকে জোর করে ধরার চেষ্টা করে। তার চিৎকারে আমি গিয়ে তাকে উদ্ধার করি। এ বিষয়ে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি।’

কাপাসিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীনুর আলম জানান, কিশোরীকে শ্লীলতাহানি ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ দায়ের করলে শুক্রবার রাতে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভুক্তভোগী অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার স্বামী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। তবে শিশুকে শ্লীলতাহানির বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে ওসি জানান।

এ ঘটনাকে ‘ঘৃণ্য’ উল্লেখ করে জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনের সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিন। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যে ঘৃণ্য ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।’