গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : ২ হাজার নতুন চিকিৎসক নিয়োগ নিয়ে নতুন কৌশলে ষড়যন্ত্র এবং চক্রান্ত শুরু হয়েছে। ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের (শুধুমাত্র চিকিৎসকদের) অপেক্ষমান তালিকা থেকে কিছুদিন আগে যে ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হলো, সেটাই ছিল পাবলিক সার্ভিস কমিশনের নিয়ম নীতির ব্যত্যয়। কিন্তু করোনা সংকটে বিশেষ পরিস্থিতির কারণে মানুষের জীবন বাঁচাতে অপেক্ষমান তালিকা থেকে চিকিৎসক নিয়োগ দিতে হয়েছিল। এখন আবার সেই অপেক্ষমান তালিকা থেকে নিয়োগের দাবি উঠেছে। এটা একটা নতুন ষড়যন্ত্র বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
তারা বলছেন, করোনা পরিস্থিতিতে ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগটা হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফল একটি উদ্যোগ। এই উদ্যোগটাকে বানচাল করার জন্য কিছু তরুণ চিকিৎসককে বিভ্রান্ত করে ভুল পথে নেওয়া হচ্ছে। ৩৯ তম বিসিএসের অপেক্ষমান তালিকা থেকে আবারও নিয়োগ দেওয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। গণমাধ্যমের কেউ কেউ হয়তো বুঝে বা না বুঝে এই ষড়যন্ত্রে সামিল হচ্ছে।
নতুন বিসিএস ছাড়া যদি আবারও অপেক্ষমান তালিকা থেকে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়, তাহলে সেটি শুধু পাবলিক সার্ভিস কমিশনের একটি বাজে দৃষ্টান্তই হবে না, বরং জনগণ তাদের কষ্টের টাকায় সর্বোচ্চ মেধাবী চিকিৎসকদের সেবা থেকেও বঞ্চিত হবে। অপেক্ষমান তালিকার তলানি থেকে নিয়োগ দেওয়া হলে নতুন মেধাবী চিকিৎসকরাও বঞ্চিত হবেন। অথচ এই বিষয়টিকে উপেক্ষা করে শুধুমাত্র মুষ্টিমেয় কয়েকজনকে চিকিৎসক বানাবার জন্য ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সরকারি সুযোগ সুবিধা হাসিলের জন্য ৩৯ তম বিসিএসে তলানিতে থাকা অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
সরকার মনে করে যে, এই বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার বালিয়ে চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া বানচাল করার চেষ্টা চলছে।
সূত্র: বাংলা ইনসাইডার