গাজীপুর কণ্ঠ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে একদিকে করোনার নতুন ধরণ ওমিক্রনের প্রভাবে কভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যাপকভাবে বেড়ে যাচ্ছে, অপরদিকে বাজে আবহাওয়ার কারণে একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। এতে বাতিল হওয়া বিমান যাত্রীদের মনে অসন্তোষ বাড়ছে। বিমানবন্দরগুলোতে তৈরি হয়েছে ব্যাপক হট্টগোল। সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, দেশটির অভ্যন্তরিণ রুটে ২ হাজার ৬শর বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বৈশ্বিক হিসাবে এটি সাড়ে চার হাজারের বেশি।
বিমান চলাচল পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ফ্লাইট অ্যাওয়ারের হিসাবে শনিবার বিকেলে সাড়ে চারটা নাগাদ শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই ২ হাজার ৬০৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। যা বিশ্বব্যাপী বাতিল হওয়া মোট ফ্লাইটের অর্ধেকের বেশি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মিলে মোট বাতিল হয়েছে ৪ হাজার ৫২৯টি ফ্লাইট।
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুসারে চায়না ইস্টার্ন বাতিল করেছে ৫শতাধিক ফ্লাইট, যা তাদের মোট পরিচালিত ফ্লাইটের এক চতুর্থাংশ। এছাড়া এয়ার চায়না নির্ধারিত ফ্লাইটের এক পঞ্চমাংশ ( ২০০ শতাধিক) বাতিল করেছে।
বড়দিনের আগে কভিড সংক্রমণজনিত কারণে কর্মী সংকটে ফ্লাইট বাতিলের ঘটনার পর এটিই যুক্তরাষ্ট্রে একদিনে সর্বোচ্চ ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা। দেশটিতে সবচেয়ে বাজে অবস্থা সাউথওয়েস্ট এয়ারলাইন্সের। যুক্তরাষ্ট্রে বাতিলকৃত ফ্লাইটের ১৩ শতাংশ তথা ৪৫০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ডেল্টা ও আমেরিকান এয়ারলাইন্সের প্রত্যেকের দুশোর বেশি ফ্লাইট এবং ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের দেড়শোর বেশি ফ্লাইট উড্ডয়ন করেনি।
ফ্লাইট অ্যাওয়ার ডটকমের তথ্য অনুসারে, গত ডিসেম্বরের ২৪ তারিখ থেকে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ১২ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।