গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনে বিপুল ভোটে আবারও মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। ২২৯টি কেন্দ্রের মধ্যে লাঙল প্রতীকে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র হয়েছেন তিনি।
তার নিকটতম প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুজ্জামান পিয়াল হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৮৯২ ভোট।
মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) রাত ১২টায় রংপুর শিল্পকলা একাডেমি নির্বাচনি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে মোস্তাফিজার রহমানকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন।
নির্বাচনি ফলে হাতি প্রতীকে ৩৩ হাজার ৮৮৩ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লতিফুর রহমান। নৌকা প্রতীকে ২২ হাজার ৩০৬ ভোট পেয়ে চতুর্থ অবস্থানে আছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া।
এেতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়ার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচনে ৯ মেয়র প্রার্থীর আরও ছয় জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী জাতীয় পার্টির মুস্তাফিজুর রহমান ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুজ্জামান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী লতিফুর রহমান তাদের জামানত ফেরত পাবেন।
স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) নির্বাচনি বিধিমালা ২০১০ এর ৪৪ নং ধারায় বলা আছে, ‘কোনও প্রার্থী নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশ (আট ভাগের এক ভাগ ভোটের কম) অপেক্ষা কম ভোট পেলে তার জামানতের টাকা সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে।’
এর আগে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এরপর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হয় ভোটের ফল ঘোষণা। সবকটি কেন্দ্রেই ইভিএমে ভোট হয়েছে।
এই নির্বাচনে মোট ভোটার চার লাখ ২৬ হাজার ৪৬৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ১২ হাজার ৩০২ বাকি দুই লাখ ১৪ হাজার ৪৬৯ নারী ভোটার। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ২২৯টি। মোট ওয়ার্ড ৩৩টি।
জানা গেছে, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরসহ মোট প্রার্থী ২৫১ জন। এর মধ্যে ৯ জন মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এছাড়া ১১টি ওয়ার্ডে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬৮ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী ১৮৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।