গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : কালীগঞ্জের পৃথক স্থান থেকে এক নারী ও যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার রাতে এবং বৃহস্পতিবার সকালে পৃথক স্থানে থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহতরা হলো, মোক্তারপুর ইউনিয়নের ডেমরা এলাকার মৃত আব্দুর রহমানের স্ত্রী রাশিদা বেগম (৫৬) এবং তুমুলিয়া ইউনিয়নের টিউরি পশ্চিম পাড়া এলাকার মৃত ফালু ফকিরের ছেলে রমজান ফকির (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাশিদা বেগম দীর্ঘদিন ধরে চর্মরোগে আক্রান্ত। এতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। বুধবার বিকেলের পর থেকে তিনি বাড়িতে একা অবস্থান করছিলেন। রাত ৯টার পর তার স্বজনরা বাড়িতে এসে একটি আম গাছের ডালের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় রাশিদাকে দেখতে পায়। পরে থানায় খবর দেয়া হলে রাত ১০টার দিকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে রাশিদার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

অপরদিকে, বৃহস্পতিবার সকালে টিউরি পশ্চিম পাড়া এলাকার মৃত ফালু ফকিরের বাড়ির একটি কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়রা ওই কক্ষের কাছে গিয়ে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। বেলা ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কক্ষের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে অর্ধগলিত অবস্থায় রমজান ফকিরের লাশ দেখতে পায়। এরপর লাশ উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম খান বলেন, আম গাছের ডালের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত রাশিদা বেগমকে পাওয়া গেছে। রাত ১০ টার দিকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল করিম বলেন, বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে অর্ধগলিত অবস্থায় রমজান ফকিরের লাশ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে কয়েকদিন আগে সে মারা গেছে। কোন অভিযোগ না থাকায় বিনা ময়নাতদন্তেই লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। রমজান ফকির মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলো।