কালিয়াকৈরে ‘হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ’, রক্তক্ষরণে কিশোরীর মৃত্যু; আটক ২

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : কালিয়াকৈরে ধর্ষণের শিকার হয়ে এক কিশোরী মারা গেছে।
বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) রাতে সংঘটিত এই ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন মমিনুল ইসলাম ওরফে মোহন (২২) ও আতিকুর রহমান (২৩)। মমিনুলের বাড়ি রাজশাহীর বাগমারায় আর আতিকুর পাবনার চাটমোহরের বাসিন্দা।
পুলিশ ও মৃত কিশোরীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের বাসিন্দা ওই কিশোরীর সঙ্গে মমিনুল ইসলামের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক আটটার দিকে মমিনুল কৌশলে কিশোরীকে কালিয়াকৈর উপজেলার চান্দরা এলাকার আব্দুল মান্নান প্লাজা নামের একটি হোটেলে নিয়ে যান। সেখানে তিনি কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের সময় মেয়েটির প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এতে মমিনুল আতঙ্কিত হয়ে রাত ৯টার দিকে তার বন্ধু আতিকুর রহমানকে সহযোগিতার জন্য ডেকে আনেন। তারা দুজন মিলে কিশোরীকে হোটেল থেকে বের করে প্রথমে একটি ওষুধের দোকানে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখান থেকে কিশোরীকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হয়। কুমুদিনী হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক কিশোরীর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
পুলিশ সূত্র জানায়, রাত সাড়ে ১২টায় দুই যুবক কুমুদিনী হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে কিশোরীকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেলের উদ্দেশে রওনা হন। তবে কালিয়াকৈর থানার চন্দ্রা এলাকায় পৌঁছালে কিশোরীর মৃত্যু হয়।অ্যাম্বুলেন্সচালক বিষয়টি টের পেয়ে কৌশলে গাড়ি ঘুরিয়ে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানায় চলে যান। সেখানে পুলিশ দুজনকে আটক করে। পরে তাদের কালিয়াকৈর থানায় নিয়ে আসা হয়।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, আটক দুজন বর্তমানে থানা হাজতে আছেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। কিশোরীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো



