নিজস্ব সংবাদদাতা
কালীগঞ্জে মুখে ও গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক ব্যক্তিকে হত্যার পর রাস্তায় ফেলে যাওয়া লাশের পরিচয় শনাক্ত করে দু’জন সন্দেহভাজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে তুমুলিয়া ইউনিয়নের বঙ্গবন্ধু বাজার-সংলগ্ন সড়কে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত ব্যক্তির নাম সাইফুল ইসলাম (৫০)। তিনি তুমুলিয়া ইউনিয়নের অলুয়া এলাকার আলফাজ উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহতের মুখের ডান দিকে বীভৎস আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ছাড়া গলায় ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আঘাতের ধরন দেখে তদন্তকারীরা মনে করছেন, এটি সংঘবদ্ধ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা।
স্থানীয়রা জানান, সাইফুল ইসলাম ভবঘুরে জীবনযাপন করতেন এবং মাদকাসক্ত ছিলেন। বেশির ভাগ সময় বিভিন্ন মাজারে থাকতেন, মাঝেমধ্যে এলাকায় ফিরতেন। সর্বশেষ সোমবার তিনি অলুয়ার বাড়িতে ফেরেন এবং সন্ধ্যার পর বের হন। মঙ্গলবার ভোরে তার লাশ পাওয়া যায়।
স্থানীয়রা আরো জানায়, ঘটনাস্থলের পাশে একটি মাদকের আড্ডাখানা থেকে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র জব্দ করে এবং টিউরি এলাকার মাদকাসক্ত শরৎ (২৪) নামের এক যুবককে হেফাজতে নেয় পুলিশ। পরে আড্ডাখানার মালিক, স্থানীয় ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আরমান হোসেনকে (৪৮) হেফাজতে নেওয়া হয়।
তদন্তকারীরা মনে করছেন, ঘটনার সময় তারা ওই স্থানেই ছিলেন।
স্থানীয়রা ধারণা করছেন, মাদকসেবীদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি সংঘবদ্ধ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
আরো জানতে……