কালীগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণ: পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে গণপিটুনি দেন। গণপিটুনির মুখে অভিযুক্ত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন এবং পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

কালীগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণ: পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক

কালীগঞ্জে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগে ৬০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের ফলে কিশোরীটি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তকে আটক করে গণপিটুনি দেন এবং পরে পুলিশে সোপর্দ করেন।

মঙ্গলবার (২৭ মে) দুপুরে গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার আসামি কালীগঞ্জ পৌরসভার বালীগাঁও এলাকার মৃত ওহাব আলীর ছেলে আবদুর রহিম (৬০)। পেশায় তিনি রিকশাচালক।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর মা পৌরসভার বালীগাঁও এলাকায় আমিনুর ইসলামের বাড়িতে ভাড়া থেকে হা-মীম গ্রুপে চাকরি করেন। তার তিনটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরী ছাড়াও ১০ ও ৫ বছর বয়সী আরও দুটি মেয়ে তার সঙ্গে থাকে। গত বছরের ৪ নভেম্বর রাতে ভুক্তভোগীর মা কারখানায় রাতের ডিউটিতে গেলে অভিযুক্ত রহিম তাদের বাসায় প্রবেশ করেন এবং প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরীটিকে ধর্ষণ করেন। ঘটনা প্রকাশ করলে হত্যার হুমকি দিয়ে এরপর থেকে বারবার একইভাবে ধর্ষণ করে আসছিলেন তিনি। একপর্যায়ে কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন স্থানীয়দের নজরে আসে। জিজ্ঞাসাবাদে সে আবদুর রহিমের নাম প্রকাশ করে। এরপর সোমবার সন্ধ্যার পর স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে গণপিটুনি দেন। গণপিটুনির মুখে অভিযুক্ত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন এবং পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন {মামলা নম্বর ২৮(৫)২৬}।

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, অভিযুক্ত রহিম গণপিটুনিতে আহত হলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।