গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক
বাংলাদেশ থেকে বছরে পাচার হওয়া বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের খোঁজ মিলে। সেই অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের কথাও ঘটা করে প্রচার করা। কিন্তু ফিরিয়ে আনার সফলতা কোনো সরকার দেখাতে পারে না।
এই ব্যর্থতার দায় কার এবং কীভাবে অর্থপাচার হয় আর সঙ্গে জড়িত কারা, টাইমস অব বাংলাদেশের বিশ্লেষণে বেরিয়ে এসেছে নেপথ্যের গল্প।
দেশের স্বনামধন্য শিল্পগোষ্ঠী, শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক, মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, সরকারের মন্ত্রী-উপদেষ্টা ও পাচার রোধের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান–সবাই একই চক্রের অংশ।
অর্থপাচারের প্যাটার্ন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রথমে ঘুষ-দুর্নীতি, ঋণ জালিয়াতিসহ নানা অনিয়মের মাধ্যমে অর্থের উৎস তৈরি করা হয়। এরপর মূলত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, হুন্ডি, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও ক্রিপ্টোকারেন্সি এই চারটি প্রধান করিডোরের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বেরুচ্ছে অর্থ।
পরের ধাপে অফশোর শেল কোম্পানি, নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, নমিনি মালিক ও বহুস্তরের আন্তর্জাতিক লেনদেনের আড়ালে ক্রমেই সেই অর্থের প্রকৃত মালিকানা অদৃশ্য করে ফেলেন পাচারকারীরা।
অর্থের মালিকানা অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার পরেই পাচার রোধে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো শুরু করে অর্থের খোঁজ। কিছু সম্পদের সন্ধান মেলে। বিভিন্ন দেশে কিছু সম্পদ জব্দও হয়। কিন্তু মালিকানা প্রমাণের জটিলতা, একাধিক দেশের আইনি এখতিয়ার, দুর্বল আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি এবং সময়মতো ব্যবস্থা নিতে না পারায় সেই অর্থ আর দেশে ফেরে না। ফলে বাংলাদেশ একবার অর্থ হারায়, আরেকবার হারায় হারিয়ে যাওয়া অর্থ ফেরানোর সুযোগ।
অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), আদালত ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কয়েক হাজার পৃষ্ঠার নথি এবং শতাধিক তদন্ত রেকর্ড বিশ্লেষণ করেছে টাইমস।
প্রতিটি ঘটনায় প্রায় একই পথ বা পদ্ধতি অনুসরণ করা হলেও পাচার রোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিতে না পারায় বছরের পর বছর পাচারকৃত অর্থের পরিমাণ বেড়েছে চলেছে।
বৈশ্বিক ও দেশিয় সংস্থাগুলোর হিসাবে, বিগত প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ন্যূনতম ৭ বিলিয়ন ডলার থেকে সর্বোচ্চ ১৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পাচার হয়েছে। সর্বনিম্ন হিসাবটি আমলে নিলেও চার বছরের পাচারকৃত অর্থের পরিমাণ বাংলাদেশের বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের সমান।
তৃতীয় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই বাংলাদেশ থেকে অর্থপাচারের প্রধান মাধ্যম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য। সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং কম দৃশ্যমান পথও এটি। এখানে নগদ অর্থ লাগেজে বহনের পরিবর্তে একটি আমদানি বিল, একটি রপ্তানি চালান বা একটি বৈধ ব্যাংকিং লেনদেনের আড়ালেই শত কোটি ডলার বিদেশে পাচার হয়।
আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি তাদের সর্বশেষ বিশ্লেষণে দেখিয়েছে, কেবল বাণিজ্যের আড়ালে বাংলাদেশ থেকে অর্থপাচারের পরিমাণ বছরে গড়ে প্রায় ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর অর্ধেকই পাচার হয় উন্নত দেশগুলোতে।
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে উৎপাদিত পণ্যের অধিকাংশ রপ্তানি হয় উন্নত দেশগুলোতে। এ শিল্পের কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতির বড় একটা অংশও আমদানি হয় সেসব দেশ থেকে।
বাণিজ্যের আড়ালে বিপুল অর্থপাচারের প্রমাণ উঠে এসেছে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের সাম্প্রতিক এক গবেষণায়। এতে দেখানো হয়েছে, এই খাতে বিতরণকৃত সাড়ে নয় লক্ষ্ কোটি টাকা ঋণের প্রায় অর্ধেক খেলাপি হয়ে পড়ার অন্যতম কারণ অর্থপাচার।
দেশের বিপুল খেলাপির বড় কারণ অর্থপাচার। কারণ, অনেক ঋণ নেওয়াই হয় পাচারের উদ্দেশ্যে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যখন এক খাতের অর্থ অন্য খাতে সরিয়ে নেওয়া হয় বা পাচার করা হয় তখনই সেটি খেলাপি হয়ে পড়ে।
বিএফআইইউ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের দুই ডজনের বেশি তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, পরাতন ও নব্য উপায়ে অর্থ পাচারের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চলছে।
একাধিক ঘটনায় স্পষ্ট হয়েছে, পণ্যের গন্তব্য এক দেশে হলেও মূল্য পরিশোধ হয়েছে অন্য দেশ থেকে। কোথাও একই ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর মালিকানাধীন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আন্তলেনদেন হয়েছে। কোথাও আবার একাধিক কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কয়েক ধাপে লেনদেন করে অর্থপ্রবাহ আড়াল করা হয়েছে।
সম্প্রতি দেশের ভোগ্যপন্যের শীর্ষ একটি শিল্পগোষ্ঠী নিজেদের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লেনদেনের মাধ্যমে ৪০৫ (৩৩ মিলিয়ন ডলার) কোটি টাকা পাচারের চেষ্টা করেছিল। ওই শিল্পগোষ্ঠীটি তাদের সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে অবস্থিত তাদেরই আরেকটি প্রতিষ্ঠানের জন্য জাহাজ আমদানির এলসি খুলেছিল।
সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠানটি আবার ওই জাহাজ কিনেছিল তাদেরই মালিকানাধীন মার্শাল আইল্যান্ডের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে। অর্থাৎ, নিজেদের প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই তিন দফায় লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ পাচারের চেষ্টা করেছে। তবে এই ইনহাউজ ট্রেডিং আটকে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
টাইমসের হাতে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংক ও আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার পৃথক দুটি নথিতে এর বিস্তারিত তথ্য রয়েছে। এই শিল্পগোষ্ঠীটির বেশিরভাগ কারখানা নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, নিজেদের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আন্তলেনদের কারণে এমন বাণিজ্য কাগুজে বৈধতা পেলেও শেষ পর্যন্ত অর্থ কোথা থেকে এলো, কোথায় গেল এবং কার নিয়ন্ত্রণে রইল, তা অনুসরণ করা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ে। যে কারণে বিদেশে বাংলাদেশের কোনো ব্যবসায়ীর অর্থ বা সম্পদের খোঁজ মিললেও সেগুলো উদ্ধার করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।
এ ছাড়া বিদেশ থেকে কোনো অর্থ উদ্ধার করতে গেলে সেই অর্থের মালিকানা যে বাংলাদেশের সেটি আদালতে প্রমাণ করতে হয়, আর এটাই সবথেকে কঠিন কাজ বলে তারা মনে করেন।
একাধিক তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাণিজ্যের পাশাপাশি করপোরেট হুন্ডি নেটওয়ার্কও পাচারের একটি বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক তদন্তে হুন্ডির মাধ্যমে সাবেক একজন মন্ত্রীর ৮০০ কোটি টাকা বিদেশে পাঠানোর তথ্য উঠে এসেছে।
একই কৌশলে ব্যাংকিং সেক্টরে লুটপাট করে চট্রগ্রামের একটি বিতর্কিত ব্যবসায়ী গ্রুপ কয়েক হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। তদন্তকারীরা বলেছেন, নিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী, সহযোগী বা কাগুজে প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে হুন্ডি করায় পাচারকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়।
এদিকে, অর্থপাচারের অন্যতম আরেকটি মাধ্যম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে ব্যাংকিং চ্যানেল।
অর্থপাচারে সহযোগিতার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় সম্প্রতি শীর্ষস্থানীয় একটি বেসরকারি ব্যাংককে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশের অটোমাবাইল সেক্টরের শীর্ষ ট্রেডিং গ্রুপ এই ব্যংকটির নিয়ন্ত্রণ করে।
এ ছাড়া বেসরকারি, বহুজাতিক ও সরকারি খাতের আরও চারটি ব্যাংকের অর্থপাচারে জাড়িত থাকার প্রমান পেয়েছে টাইমস।
সম্প্রতি ছয়টি শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন খতিয়ে দেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত দল। গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান টাইমসকে বলেছেন, এখানে ‘খুবই অস্বাভাবিক ধরনের’ লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে।
টাইমসের হাতে আসা বাংলাদেশ ব্যাংকের আরেকটি তদন্ত প্রতিবেদনে একটি শীর্ষ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), একটি বেসরকারি ব্যাংক এবং দুটি এক্সচেঞ্জ হাউজের সমন্বয়ে রেমিট্যান্সের আড়ালে অন্তত ৪০৭ কোটি টাকা পাচারের তথ্য উঠে এসেছে। ওই ব্যাংকটি বিগত দিনে গাজী গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ছিল। সংশ্লিষ্ট এমএফএস ও এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর সব লেনদেন পর্যালোচনা করলে পাচারের অঙ্ক আরও বাড়বে বলে তদন্তকারীদের ধারণা।
অর্থপাচারের আরেকটি নতুন মাধ্যম হয়ে উঠেছে ক্রিপ্টোকারেন্সি। বাংলাদেশে এই ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা নিষিদ্ধ হলেও বিভিন্ন অনলাইন ও অফলাইন অ্যাপে এর লেনদেন করা যাচ্ছে নিমিষেই। অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের যেকোনো ব্যাংক বা এমএফএস থেকে ক্রিপ্টোর এসব অ্যাপে লেনদেন করা যাচ্ছে নির্বিঘ্নে।
অনলাইন জুয়ার মাধ্যমেও বিপুল অর্থ পাচার হচ্ছে। এর ব্যাপ্তি এতটাই বেড়েছে যে, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের একজন ছাত্র উপদেষ্টার অ্যাকাউন্ট থেকেও অনলাইন জুয়ায় অনেকগুলো লেনদেনের তথ্য পেয়েছে আর্থিক গোয়েন্দারা। যে ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে সাবেক উপদেষ্টা লেনদেনগুলো করেছেন সেটি দুটি দেশের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি শীর্ষ বেসরকারি ব্যাংক।
সম্প্রতি ক্রিপ্টোর মাধ্যমে পাচার হওয়া ৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার উদ্ধার করেছে সিআইডি। তবে সংস্থাটির কর্মকর্তারা টাইমসকে জানিয়েছেন, তাদের কাছে ব্লকচেইন বিশ্লেষণ সফটওয়্যার না থাকায় অধিকাংশ ক্রিপ্টো লেনদেন অনুসরণ করা সম্ভব হয় না। একই সীমাবদ্ধতা বিএফআইইউর। সংস্থাটি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে একটি সফটওয়ার কেনার প্রস্তাব দিলেও সাড়া দেয়নি বাংলাদেশ ব্যাংক।
এদিকে অর্থপাচারের চক্র ভাঙতে গত দুই বছরে কৌশল পরিবর্তন করা হলেও সম্প্রতি পাচারকৃত ২৫ মিলিয়ন ডলার বা ৩০৬ কোটি টাকা উদ্ধারের সুযোগ হাত ছাড়া করে সরকার। এই ঘটনায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ’র দুর্বলতা ফুটে ওঠেছে ।
যুক্তরাজ্যের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি চলতি বছরের শুরুতে বাংলাদেশের একটি বেসরকারি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানের ২৫ মিলিয়ন ডলার শনাক্ত করে এবং বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ দিতে এই অর্থ চার সপ্তাহের জন্য জব্দ রাখে। কিন্তু বিএফআইইউ কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি ওই সময়সীমার মধ্যে। পরবর্তীতে পুরো অর্থটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে স্থানান্তর হয়ে যায়।
‘করস্বর্গ’ হিসেবে পরিচিত আরব আমিরাত থেকে এই অর্থ উদ্ধারের প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে পড়েছে। তবে ‘শিগগিরই এই অর্থ উদ্ধার সম্ভব হবে’ বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএফআইইউ প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন।
যথাসময়ে কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে যুক্তরাজ্য থেকে এই অর্থ উদ্ধার করতে পারলে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিএফআইইউ’র ইতিহাসে এটি হতো প্রথম অর্থ উদ্ধারের ঘটনা। ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত আর্থিক খাতের এ সংস্থাটি বিদেশে পাচার হওয়া একটি টাকাও উদ্ধার করে দেশে ফেরাতে পারেনি।
পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে বাংলাদেশের উদ্যোগকে যথেষ্ট মনে করেন না ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান৷
তিনি বলেন, ‘পাচারের অর্থ ফেরাতে আন্তর্জাতিক আইনে কিছু জটিলতা আছে। তবে দুই দেশ নিজেদের মাঝে চুক্তি স্বাক্ষর করে কার্যক্রম এগিয়ে নিতে পারে।’
দেশের অর্থপাচার বিরোধী আইনে পাচারকৃত অর্থের দ্বিগুণ জরিমানা ও পাচারকারীকে ৪ থেকে ১২ বছর কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে জানিয়ে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘এই জরিমানা ও শাস্তি নিশ্চিত করা না গেলে পাচার বন্ধ করা যাবে না৷’