প্রতিবন্ধী দিবস, তুলোশী চক্রবর্তী

প্রতিবন্ধী দিবস
———————–
সে দেখতে ছিল লাস্যময়ী
   কিন্তু দেখো বিধীর কি নিদারুণ পরিহাস
 সমাজের ভাবনায় সে কিনা
   প্রতিবন্ধী নামে প্রকাশ
বুঝবে কে?
কতো অসহ্য যন্ত্রনা আছে
 সব প্রতিবন্ধীর বুকে
তাদের করুন অবস্থা দেখে
    অট্টহাসিও করে বহু মনহীন লোকে,
 মনুষত্ব্য নিয়ে আসে না কেউ পাশে
   উঠে দাঁড়াতে বলে না হাত বাড়িয়ে
নিষ্ঠুর ব্যবহারে দিয়ে যায়
    হৃদয়টাকে আরো বেশি পুড়িয়ে,
প্রতিবন্ধীরাও তো মানুষ
   হতে পারে কোনো অঙ্গ বিকল
মনের জোরে তারাও পারে হতে
  সব কাজেই সফল,
ওরাও চায় সাধারনের মতো
    কোনো কাজ করে খেতে
তাদের নামে খল দরদী ভাষণ দেয় সরকার
  শুধু মসনদের গদি পেতে
 প্রতিবন্ধীর জন্য নাকি কোটা আছে?
 থাকতে পারে কোনো এক কাগজে লেখা
বাস্তবে প্রয়োগ ?
যায় না তো চোখে দেখা,
 প্রকৃত প্রতিবন্ধীরা
 পায় না সুযোগ,সুবিধা কিছু
নকল শংসাপত্র ধারী
 খল প্রতিবন্ধীর ভুড়িই উচু
ন্যায় বিচার না করে প্রতিবন্ধী বলে ফিরিয়ে দেয়
যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তরের বড়ো অফিসার
সেই রাজ্য তথা দেশে বাস্তবায়ন হবে না কখনই
প্রতিবন্ধীর পূর্ন অধিকার
শুনে শুনে শাসকের ভাষনের
উঠে আসা মিথ্যে প্রতিশ্রুতির মধুর বুলি
আজ হচ্ছে উন্মাদ প্রায়
মেধাবীর ও মাথার খুলি
প্রতিবন্দকতা থাকতেই পারে  শরীরে
তবে প্রতিবন্ধীদের মনে নয়
তারা বোঝে না আজো
 কেন প্রতিবন্ধী দিবস পালিত হয়?
 তারা যে চিরকাল প্রতিবন্ধী বলে
 সমাজের অন্ধকার ঘেরাটোপে বন্দী রয়,
 বাস্তবে ফিরে পেতো যদি সবাই সবার
 সঠিক অধিকার
আর সবার ব্যবহার সৎ মানুষ রুপি হতো
 আজ পৃথিবীটাই স্বর্গ হয়ে যেতো।
লেখকঃ–তুলোশী চক্রবর্তী, কোচবিহার।