গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মসজিদে গিয়ে নামাজ না আদায় করতে বলেছে সরকার। এ ব্যপারে সরকার কিছু নির্দেশনাও দিয়ে দেয়। কিন্তু মঙ্গলবার ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম সিটির মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে কোনো বাধা থাকবে না বলে ঘোষণা দেয়। তবে বুধবার বলেন, তিনি তাঁর আগের বক্তব্য থেকে সরে এসেছেন। সরকারের নির্দেশনাই মানা হবে। খবর প্রথম আলো’র
মঙ্গলবারের ভিডিও বার্তায় মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘গাজীপুর মহানগরীতে মাত্র কয়েকটি এলাকায় করোনাভাইরাস রয়েছে। বাকিগুলো পাশের উপজেলাগুলোতে অবস্থান করছে। যেহেতু গাজীপুরের গার্মেন্টসগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে, তাই এ রমজান মাসে এখন আর মসজিদে অল্প সংখ্যক মুসল্লিদের জন্য সীমাবদ্ধ রাখার কোনো প্রয়োজন নেই। শুক্রবারের জুমার নামাজ ও রমজানের তারাবির নামাজে মুসল্লিগণ অংশ নিতে পারবেন। এতে সিটি করপোরেশনের কোন বাধা থাকবে না।’
মেয়রের এ বক্তব্যের পর সমালোচনা শুরু হয়। করোনাভাইরাসে আক্রান্তের দিক থেকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের পরেই গাজীপুরের অবস্থান। আইইডিসিআরের ওয়েবসাইটে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, গাজীপুরে ৩১৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
ইতিমধ্যে সারা দেশকে ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত ৬ এপ্রিল দেশের সব মসজিদে বাইরে থেকে মুসল্লি ঢোকার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সরকার জানায়, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ মসজিদের খাদেমরা মিলে পাঁচজনের জামাত হবে। এ ছাড়া রোজায় তারাবির জামাতে ১২ জন এক সঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবে।
সরকারের এ নির্দেশনা ও মেয়রের নিজের বক্তব্য প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বুধবার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘সরকার যে নীতিমালা দিয়েছে ওটাতে থাকলেই ভালো হবে।’ আপনার নির্দেশ প্রত্যাহার করেছেন কিনা প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘হ্যাঁ। পরিবেশটা বলা যাচ্ছে না। গার্মেন্টস খুলে দিয়েছে, এ কারণে রিস্কে আছি।’
মেয়র আরও বলেন, সরকারের যে বক্তব্য সেটাই আমার বক্তব্য।’ তিনি তাঁর মঙ্গলবার দেওয়া বক্তব্যের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন বলেও জানান।
এ সংক্রান্ত আরো জানতে……….
মুসল্লিদের স্বাভাবিক প্রবেশের জন্য মসজিদ খুলে দেওয়ার ঘোষণা মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের