উপজেলা নির্বাচন: ভোট পড়েছে ২৫ শতাংশ, চেয়ারম্যান পদে জয়ী রীনা পারভীন

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ হয়েছে আর এই নির্বাচনে ভোট পড়েছে মোট ভোটারের প্রায় ২৫ শতাংশ। যা অন্য যে কোন নির্বাচনের চেয়ে তুলনামূলকভাবে অনেক কম।

এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রীনা পারভীন নৌকা প্রতীকে ২৩ হাজার ৮৬৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইজাদুর রহমান মিলন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৮০৭ ভোট। এছাড়ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুজ্জামান মোহাম্মদ মোটরসাইকেল প্রতীক পেয়েছে ৭৭৫ ভোট এবং হাবিবুর রহমান খান আনারস প্রতীক পেয়েছে ৩৪৫ ভোট।

এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলহাজ রিয়াজ উদ্দিন তালা প্রতীক ১৪ হাজার ৩১ ভোট এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে হাছিনা সরকার ফুটবল প্রতীক নিয়ে ১৭ হাজার ৭৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার রাতে নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আবু নাসার উদ্দিন এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

গাজীপুর সদর উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৪৮৫ জন। এর মধ্যে মোট চেয়ারম্যান পদে বৈধ ভোটের সংখ্য ২৮ হাজার ৭৯২ টি এর মধ্যে বাতিলকৃত ভোট ১ হাজার ৭৩৭ টি আর অনুপস্থিত ৮৭ হাজার ৬২ জন ভোটার। ভাইস চেয়ারম্যান পদে বৈধ ভোটের সংখ্য ২৮ হাজার ৭৭৫ টি এর মধ্যে বাতিলকৃত ভোট ৬৮ টি আর অনুপস্থিত ৮৮ হাজার ৭৪৮ জন ভোটার এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বৈধ ভোটের সংখ্য ২৮ হাজার ৭৬১ টি এর মধ্যে বাতিলকৃত ভোট ৮১ টি আর অনুপস্থিত ৮৮ হাজার ৭৪১ জন ভোটার।যা মোট ভোটারের প্রায় ২৫ শতাংশ।

এ নির্বাচনে বর্তমান চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী ইজাদুর রহমান মিলন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৮০৭ ভোট। অবশ্য তিনি নির্বাচন চলাকালে বেলা ১১টার দিকে তার নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন এবং পুনরায় নির্বাচন দাবি করেছিলেন।

এ ছাড়া এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান খান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুজ্জামান মোহাম্মদ ইতোপূর্বে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে সমর্থন দিনে ভোট থেকে সরে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

আওয়ামী লীগ মনোনীত জয়ী প্রার্থী রীনা পারভীন জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি। ২০০৯ সালে তিনি একই উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।