গাজীপুর

গাজীপুর-৫: ভোটের মাঠে চুড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাত প্রার্থী

নিজস্ব সংবাদদাতা : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ আসনে শেষ পর্যন্ত সাতজন প্রার্থী ভোটের মাঠের চুড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় প্রার্থীর সংখ্যা কমে আসে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

রিটার্নিং অফিসার কার্যালয় জানায়, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী রুহুল আমিন তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এর ফলে এই সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত সাতজন প্রার্থী এখন ভোটের লড়াইয়ে রয়েছেন।

গাজীপুর-৫ সংসদীয় আসনটি জাতীয় সংসদের ১৯৮ নম্বর আসন। এই আসনটি গঠিত হয়েছে কালীগঞ্জ পৌরসভা ও কালীগঞ্জ উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন, পাশাপাশি গাজীপুর সদর উপজেলার বাড়িয়া ইউনিয়ন এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে।

এই আসনে প্রথমে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফজলুল হক মিলনসহ মোট আটজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। অন্য প্রার্থীরা হলেন—মো. খায়রুল হাসান (জামায়াতে ইসলামী), মো. আল আমিন দেওয়ান (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), কাজল ভূঁইয়া (গণফোরাম), মো. আজম খান (জনতার দল), রুহুল আমিন (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), গাজী আতাউর রহমান (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) এবং ডা. মো. সফিউদ্দিন সরকার (জাতীয় পার্টি)।

গত ৩ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা খেলাফত মজলিস ও জাতীয় পার্টির দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেন। পরে আপিলের মাধ্যমে তারা দুজনই প্রার্থিতা ফিরে পান। তবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ হালনাগাদ ভোটার তালিকা অনুযায়ী, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫০ হাজার ৯৬৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬১ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৭৪ হাজার ৯০৩ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ২ জন। ভোট গ্রহণের জন্য এ আসনে ১২৪টি ভোটকেন্দ্রের ৬৭৮টি কক্ষ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এছাড়াও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন ৩ হাজার ৩২ পুরুষ এবং ৬৪৫ নারীসহ মোট ৩ হাজার ৬৭৭ জন ভোটার।

নির্বাচন তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button