গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : শ্রীপুর ও সদর উপজেলা থেকে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ দুইজনের আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
উভয় ক্ষেত্রেই হত্যার পর প্রমাণ লোপাট করতে মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশের ধারণা।
শনিবার সকালে শ্রীপুরের তেলিহাটি ইউনিয়নের বৃন্দাবন এলাকার একটি গজারি বনের পাশ থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর দুপুরে সদর উপজেলার ভবানীপুর এলাকা থেকে ১৪ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্র মাহাবুর ইসলাম রনির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত রনি ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বাসিন্দা। সে পরিবারের সঙ্গে সদর উপজেলার ভবানীপুরে ভাড়া বাসায় থেকে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত।
জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, রনি শুক্রবার রাত ৯টা থেকে নিখোঁজ ছিল। স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পায়নি। সকালে স্থানীয়রা আগুনে পোড়া মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দিলে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে সেটি রনির বলে শনাক্ত করেন।
অপরদিকে শ্রীপুরে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় শনাক্ত করতে কাজ করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমদ বলেন, নির্জন এলাকায় দাহ্য পদার্থ দিয়ে মরদেহটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পর মরদেহ গুম করতেই এখানে এনে আগুন দেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, ওই যুবকের বয়স আনুমানিক ২০ বছর। পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ প্রোফাইল সংরক্ষণ ও পার্শ্ববর্তী থানাগুলোর নিখোঁজ ডায়েরিগুলো যাচাই করা হচ্ছে।
উদ্ধারকৃত মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
উভয় ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা ও তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।