সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু বছর পর নিজের পুরোনো ও স্মৃতিবিজড়িত সেনানিবাস এলাকায় এসে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও আবেগতাড়িত।

সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি প্রধানমন্ত্রীর

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক

সেনা সদস্যদের সঙ্গে ঈদুল আযহার আনন্দ ভাগাভাগি এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার, জেসিও ও সৈনিকদের সঙ্গে ঈদ প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ করেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য জানিয়েছে। 

আইএসপিআর জানিয়েছে, অনুষ্ঠানস্থলে এলে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান এবং ২৫ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় উপস্থিত সেনা সদস্যদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু বছর পর নিজের পুরোনো ও স্মৃতিবিজড়িত সেনানিবাস এলাকায় এসে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও আবেগতাড়িত। তিনি উল্লেখ করেন, সেনানিবাসের এই পরিবেশ, শৃঙ্খলা, সহযোদ্ধাসুলভ বন্ধন এবং সেনাসদস্যদের আন্তরিকতা তার কাছে বিশেষভাবে স্মরণীয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নত পেশাদার মান, দায়িত্ববোধ এবং দুর্যোগ মোকাবেলাসহ দেশের যেকোনো প্রয়োজনে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর ঐতিহ্য তাকে গভীরভাবে গর্বিত করে। 

তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় রাষ্ট্রের আস্থার প্রতীক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। জাতীয় সংকট এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সেনাবাহিনীর অবদান জাতির কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেম নিয়ে জাতির সেবায় নিয়োজিত থাকবে।

প্রীতিভোজ শেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইউনিটের সৈনিক লাইন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে ইউনিট প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। 

আইএসপিআর জানায়, প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে গভীর উৎসাহ, অনুপ্রেরণা ও গৌরবের সঞ্চার করেছে। বিশেষ করে ঈদের দিনে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সরাসরি উপস্থিতি সেনাসদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি করেছে এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত অঙ্গীকার, দায়িত্ববোধ ও দেশসেবার প্রেরণাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা যায়।