মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ: আ.লীগের ৪ মন্ত্রী-এমপিসহ সব আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন

অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা না পাওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ: আ.লীগের ৪ মন্ত্রী-এমপিসহ সব আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক 

মালয়েশিয়ায় মানবপাচারের অভিযোগে পল্টন থানার মামলায় সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের চার এমপি-মন্ত্রীসহ মামলার সব আসামিকে মানবপাচারের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। 

এর মধ্যে রয়েছেন, সাবেক প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ, সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, নিজাম উদ্দিন হাজারী ও বেনজীর আহমেদ।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়া ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা না পাওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

গত ২২ মে সাব-ইন্সপেক্টর মো. রায়হানুর রহমান স্বাক্ষরিত তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়। পল্টন থানার সম্পূরক চূড়ান্ত রিপোর্ট-৪৩ হিসেবে এটি দাখিল করা হয়।

কেন অব্যাহতি

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ, বিভিন্ন নথি পর্যালোচনা ও পারিপার্শ্বিকতা বিশ্লেষণে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর একাধিক ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রতীয়মান হয়নি।

এই পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে তাদের এসব ধারার দায় থেকে অব্যাহতির আবেদন করে পুলিশ।

যাদের অব্যাহতির আবেদন

মানবপাচারসংক্রান্ত আইনের ধারায় করা অভিযোগ থেকে যাদের অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে তাদের মধ্যে সাবেক প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমেদ এবং একই মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীনের নাম রয়েছে।

সাবেক এমপি ও এম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মো. রুহুল আমীন (স্বপন), সাবেক এমপি ও আহমেদ ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী বেনজীর আহমেদ, সাবেক এমপি ও সিংগা ওভারসিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান নিজাম হাজারীর নামও রয়েছে তালিকায়।

এ ছাড়া ইম্পেরিয়াল রিসোর্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, ব্রাদার্স ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম, ওয়াইজি আল ফালাহ ম্যানেজমেন্টের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ সোহেল রানা, অপরাজিতা ওভারসিজের স্বত্বাধিকারী আরিফুর রহমান, ট্রান্স এশিয়া ইন্টিগ্রেটেড সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানাল আবু জাহেদকেও অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।

অব্যাহতির আবেদনের তালিকায় ইউনাইটেড এক্সপোর্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম রফিক, কিউ কে কুইক এক্সপ্রেস লিমিটেডের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম রবিন, নাতাশা ওভারসিজের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ নাজিবুর রহমানেরও নাম রয়েছে। এ তালিকায় আরও রয়েছেন আমিন ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী রুহুল আমিন, জিএমজি ট্রেডিং প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মওলা, আল ফারা হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড কনসালটেন্সির স্বত্বাধিকারী জাকির আহমেদ ভূঁইয়া, ম্যানপাওয়ার করপোরেশনের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ মাহবুব আলম, মদিনা ওভারসিজের স্বত্বাধিকারী নাসির উদ্দিন মজুমদার (সিরাজ), আল খামিস ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী রেজিয়া বেগম, স্ট্যানফোর্ড এমপ্লয়মেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উত্তম কুমার রায়, সুলতান ওভারসিজের স্বত্বাধিকারী আলতাব হোসেন, জান্নাত ওভারসিজের স্বত্বাধিকারী লিমা বেগম, দ্য সুপার স্ট্যান্ড লিমিটেডের ফাইন্যান্স ডিরেক্টর শাহিন কবির, হায়দরী ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজিং পার্টনার সৈয়দ গোলাম সরোয়ার, প্রভাতী ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মো. আশরাফ উদ্দিন, মেরিট ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ, ইউনিক ইস্টার্ন প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নুর আলী, মৃধা ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশনের স্বত্বাধিকারী মো. কাউছার মৃধা, প্রান্তিক ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরিজম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফা, ধামাসি করপোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. নোমান চৌধুরী, রাব্বি ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মো. বশির, আইএসএমটি হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, অদিতি ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী বিশ্বজিৎ সাহা, সেলিব্রেটি ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল হাই, বিডি গ্লোবাল বিজনেসের স্বত্বাধিকারী মো. সুলাইমান, সাদিয়া ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী পানিম আহমেদ চৌধুরী নোমান, বিএনএস ওভারসিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার ইসতিহাক আহমেদ সৈকত, গ্যালাক্সি করপোরেশনের ম্যানেজিং পার্টনার শেখ আজগর লস্কর, গাজীপুর এয়ার ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মো. ফেরদাউস আহমেদ বাদল, আরআরসি হিউম্যান রিসোর্স সার্ভিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলমগীর কবির, পিআর ওভারসিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম রাকিব, ইফতি ওভারসিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রুবেল, দরবার গ্লোবাল ওভারসিজের স্বত্বাধিকারী মাহবুব মিয়া, ফোর সাইট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহাদত হোসেন, কাশিপুর ওভারসিজের স্বত্বাধিকারী মো. রফিকুল হোসেন, মুবিন এয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিবুল ইসলাম শাহিন, নাভিরা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ শহীদুর রহমান, রুবেল বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুন নাহার হিরা মনি, দিশারী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান আসলাম খান, আল হেরা ওভারসিজের পার্টনার মো. রাশেদ খান, ফিউচার ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মোহাম্মদ নরুজ্জামান অ্যান্ড সন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ফরহাদুর রহমান, মিডওয়ে ওভারসিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হায়দার ভূঁইয়া, আহমেদ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জসিম উদ্দিন আহমেদ, জিএমজি অ্যাসোসিয়েট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনির হোসেন, আমান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. রফিকুল ইসলাম পাটওয়ারী, আকতার রিক্রুটিং এজেন্সির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আক্তার হোসেন, রানওয়ে ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মো. সামিউর রহমান, এলিগ্যান্ট ওভারসিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান, পিএন এন্টারপ্রাইজ কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুর মোহাম্মদ তালুকদার, আকাশ ভ্রমণের স্বত্বাধিকারী মো. মনসুর আহমেদ কালাম, আল রাবেতা ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজিং পার্টনার মো. আবুল বাশার, আবেদ এয়ার ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসের স্বত্বাধিকারী কে এম মোবারক উল্লাহ, আল বুখারি ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, আনিয়াল ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী শাহ জামাল মোস্তফা, বিনিময় ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ সোবাহান ভূঁইয়া, বিএম ট্রাভেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুল ইসলাম বাসেক, গ্রীন ল্যান্ড ওভারসিজের স্বত্বাধিকারী রেহানা আরজুমান হাই, আরডিং এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী হাফিজুল বারী মোহাম্মদ লুৎফর রহমান, নিউ এজ ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী শওকত হোসেন শিকদার, ঐশী ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী লিনা রহমান, অরবিটালস এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজিং পার্টনার কাশ্মীরী কামাল, পাথ ফাইন্ডার ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মাজারুল ইসলাম, সরকার ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ আলী সরকার, শাহীন ট্রাভেলসের ম্যানেজিং পার্টনার এম শাহাদাত হোসেন তসলিম, এসওএস ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসাদ আবেদিন, সাউথ পয়েন্ট ওভারসিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মঞ্জুর কাদের, ইউনাইটেড ম্যানপাওয়ার কনসালটেন্সির স্বত্বাধিকারী জেড ইউ সাঈদ, যাহারাত অ্যাসোসিয়েটের স্বত্বাধিকারী মো. শফিকুল আলম ফিরোজ, এএনজেড ম্যান্টি ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজিং পার্টনার মো. জাহাঙ্গীর কবির, থেনেক্স ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ শাহেদ, মালয়েশিয়া বাংলাদেশ হোল্ডিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিউলি বেগম, শান ওভারসিজের স্বত্বাধিকারী এ বি এম শামসুল আলম কাজল, ঈশা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী তাসলিমা আক্তার, ত্রিবেণী ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মো. সাইফুল নুর, মঙ্গুর আলী ওভারসিজ অ্যান্ড ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী শাহ ইমরান ভূঁইয়া, অরবিটালস ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী নাফিসা কামাল, কম্পোর্ট ওভারসিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসান, নেক্সট ওভারসিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিকুল ইসলাম, অনন্য অপূর্ব রিক্রুটিং এজেন্সির স্বত্বাধিকারী মহিউদ্দিন আহমেদ, ম্যাস ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুর রহমান হারুন, কিছুয়া এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব আহমেদ, জনতা ট্রাভেলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাজেনা বেগম, বেসিক পাওয়ার অ্যান্ড কেয়ার ওভারসিজের স্বত্বাধিকারী মো. শাহ আলম চৌধুরী, রমনা এয়ার ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী শহিদুল ইসলাম, উইন ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী গোলাম সারোয়ার উইন, উইনার ওভারসিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহফুজুল হক, আগা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী সায়েন মোহাম্মদ হাসান, এমইএফ গ্লোবাল বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মকবুল হোসেন মুকুল, নিউ হ্যাভেন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওবাইদুল হক, ইস্ট ওয়েস্ট প্যারাডাইসের স্বত্বাধিকারী ইউসুফ নবী এবং সানজারি ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শেখ আব্দুল্লাহ।

আলাদা চার্জশিট

মানবপাচার আইনে অব্যাহতির আবেদনের পাশাপাশি একই মামলায় দ্বিতীয়ভাগে পুলিশ আলাদা চার্জশিট দিয়েছে। প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ, চাঁদাবাজি ও ভাঙচুরের অভিযোগে ইমরান আহমেদ, বেনজীর আহমেদ ও নিজাম হাজারীসহ ৫১ ব্যক্তি ও রিক্রুটিং এজেন্সি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে এই চার্জশিট দেওয়া হয়।

প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ, চাঁদাবাজি ও ভাঙচুরের অভিযোগে দাখিল হওয়া চার্জশিটে আসামি করা হয়েছে সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমেদ, সাবেক সিনিয়র সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন, সাবেক এমপি ও ৫এম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মো. রুহুল আমীন (স্বপন), সাবেক এমপি মো. নিজাম উদ্দিন হাজারী, বেনজীর আহমেদ, মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম ওরফে আবুল, মোহাম্মদ সোহেল রানা, আরিফুর রহমান, জামাল আবু জাহেদ, এস এম রফিক, রবিউল ইসলাম রবিন, মো. নাজিবুর রহমান, রুহুল আমিন, গোলাম মওলা, জাকির আহমেদ ভূঁইয়া, মো. মাহাবুবুল আলম, নাসির উদ্দিন মজুমদার (সিরাজ), রেজিয়া বেগম, উত্তম কুমার রায়, মো. আলতাব হোসেন, লিমা বেগম, শাহিন কবির, সৈয়দ গোলাম সরোয়ার, মো. আশরাফ উদ্দিন, মো. নুর আলী, মো. নোমান চৌধুরী, মোহাম্মদ বশির, মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, মো. শামিম আহমেদ চৌধুরী নোমান, ইঞ্জিনিয়ার ইসতিহাক আহমেদ সৈকত, শেখ আজগর লস্কর, গোলাম রাকিব, মো. মাহাবুব মিয়া, শাহাদাত হোসেন, কামরুন নাহার হিরা মনি, মো. রফিকুল হায়দার ভূঁইয়া, মিজানুর রহমান ওরফে রাসেল হাওলাদার, মো. মনসুর আহমেদ কালাম, এম এ সোবাহান ভূঁইয়া, শফিকুল ইসলাম বাসেক, হেফজুল বারী মোহাম্মদ লুৎফর রহমান, শওকত হোসেন শিকদার, কাশ্মীরী কামাল, শাহাদাত হোসেন তসলিম, মোহাম্মদ শফিকুল আলম ওরফে ফিরোজ ওরফে কালো ফিরোজ, আব্দুল্লাহ শাহেদ, নাফিসা কামাল, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এবং মো. মকবুল হোসেন মুকুল।

এ বিষয়ে জানতে তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. রায়হানুর রহমানের সঙ্গে কয়েক দফায় যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফোন ও মেসেজেও সাড়া দেননি তিনি।

পুলিশের-চূড়ান্ত-প্রতিবেদন

সূত্র: এশিয়া পোস্ট