গাজীপুরে সরকারি কৌঁসুলি নিয়োগে বৈষম্যের অভিযোগ, জিপি-পিপির রুমে তালা

গাজীপুরে সরকারি কৌঁসুলি নিয়োগে বৈষম্যের অভিযোগ, জিপি-পিপির রুমে তালা

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : গাজীপুর আদালতে সরকারি কৌসুঁলী নিয়োগে বৈষম্য ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে বিক্ষোভ করেছেন বিএনপি ও জামায়াতপন্থী আইনজীবীরা।

বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা বুধবার (১৩ নভেম্বর) সকালে জিপি ও পিপি’র কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন।

আন্দোলনরত আইনজীবীদের অভিযোগ, গত সোমবার বিএনপি ও জামায়াতপন্থী ৭০জন আইনজীবিকে জিপি-পিপি, অতিরিক্ত জিপি-পিপি ও সহকারী জিপি-পিপি নিয়োগ দেয় আইন মন্ত্রণালয়। যাদের প্রায় সবাই জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

গাজীপুর মহানগর থেকে নিয়োগ পেয়েছেন মাত্র কয়েকজন। মহানগর বিএনপি’র সঙ্গে পরামর্শ না করে জেলা বিএনপির দুই নেতা ব্যক্তিগত তাদের পছন্দের আইনজীবীদের সরকারি কৌঁসুলী হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করেন। এ কারণে নিয়োগের বিরোধীতা করে আসছেন জেলার অধিকাংশ আইনজীবী।

রাজনৈতিক এসব নিয়োগে গাজীপুর বারের সাবেক সভাপতি মহানগর বিএনপি নেতা ড. সহিদউজ্জামান, সাবেক সভাপতি সুলতান উদ্দিন, মেহেদি হাসান এলিসসহ বিএনপিপন্থি অনেক আইনজীবী বাদ পড়েন।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে নিয়োগ বাতিলের দাবিতে গত দু’দিন ধরে গাজীপুর আদালত পাড়ায় বিক্ষোভ করেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। বুধবার সকালে বিক্ষুব্ধরা সরকারি নতুন কর্মকর্তাদের কক্ষে তালা দেন। আইনজীবীরা গাজীপুরের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ নিয়োগ স্থগিত রাখার জন্য দাবি জানান।

গাজীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ রিয়াজুল হান্নান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আদালতের জিপি, পিপি ও এপিপি নিয়োগে জেলা বিএনপির কারো কোনো হাত নেই।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতাদের মাধ্যমে যে নামগুলো এসেছে ওই নামগুলো সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য রাজনৈতিক দল থেকেও তালিকা দেওয়া হয়েছে। সব তালিকা যাচাই বাছাই করে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের গাজীপুর জেলা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, সংগঠন থেকে একটি তালিকা দেয়া হয়েছিল। তালিকা থেকে অনেকের নাম বাদ দিয়ে নতুন নাম অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে।

এতে করে মহানগর আইনজীবীদের নাম বাদ দিয়ে জেলা ও উপজেলার আইনজীবীদের নাম বেশি রাখা হয়েছে।

 

সূত্র : কালের কণ্ঠ