গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে রয়েছে শতশত গাঁজার গাছ রয়েছে। পাশাপাশি ময়লা আবর্জনার স্তুপ হয়ে থাকলেও অপসারণে নেই কোনো পদক্ষেপ। হাসপাতালের ভিতরে এধরনের অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় ও রোগীরা। তবে সিভিল সার্জন জানেন না এসব গাছের কথা। গাছগুলো পরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।
একশ বছরের প্রাচীন ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল। জেলা সদরের মুজিব সড়কে অবস্থিত এ হাসপাতালে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসেন কয়েকশ রোগী। হাসপাতালের অভ্যন্তরে খেয়াল করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের অভ্যন্তরে জনচলাচলের রাস্তার পাশেই জন্মেছে কয়েকশ গাঁজা কিংবা ভাংগাছ।
জেনারেল হাসপাতালের উত্তর দিকে স্টাফ কোয়ার্টারের পথের পাশে ও হাসপাতালের উত্তর পাশে শত শত গাঁজার গাছের বেড়ে ওঠা যেন কেউ দেখতে পাননি। অনেকে বলছেন, বছরের পর বছর ধরে এভাবেই গাঁজা কিংবা ভাংগাছগুলো বেড়ে উঠেছে।
হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারের বাসিন্দারা সংবাদ মাধ্যমকে জানান, প্রায় চার-পাঁচ বছর ধরে এই গাঁজার গাছগুলো বেড়ে উঠেছে। আগে আরও বেশি ছিল। অনেক গাছ কেটে তারা পরিষ্কার করেছেন। তারপর আবার হয়েছে। সবার সামনেই বেড়ে উঠেছে।
হাসপাতালটির তত্বাবধায়ক ও ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. ছিদ্দীকুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, গাছগুলো কাটার জন্য বলা হয়েছে। মাঝে-মধ্যেই গাছগুলো কাটা হয়। আবার এমনিতেই গজিয়ে যায়। সময়মতো লেবার না পাওয়ায় এবার কাটতে দেরি হয়েছে বলে জানান তিনি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ফরিদপুর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শামীম হোসেন সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, সংবাদ পাওয়ার পর নিজে হাসপাতাল চত্বরে গিয়েছিলাম। গাছগুলো দেখেছি, পরীক্ষা নিরীক্ষা করা ছাড়া আসলে কি গাছ বলা কঠিন। গাছগুলো ছোট একারণে সঠিক বলা যাচ্ছে না। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ভাংয়ের গাছ হতে পারে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে, গাছগুলো পরীক্ষা করাবে তাহলে আমরা সহযোগিতা করবো। তাছাড়া তারা নিজেরাও গাছগুলো কেটে ফেলতে পারে।
সূত্র : ঢাকা মেইল