গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : টঙ্গীর মধুমিতা রোড এলাকায় র্যাবের সঙ্গে ‘গুলি বিনিময়ে’ সিরিয়াল ধর্ষক ও হত্যা মামলায় জড়িত আবু সুফিয়ান (২১) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে তিন রাউন্ড গুলি ও একটি বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করেছে র্যাব।
বৃহস্পতিবার রাতে পৌনে ১১টার সময় এ ঘটনা ঘটে।
র্যাবের দাবি, নিহত আবু সুফিয়ান টঙ্গীর চাঞ্চল্যকর শিশু চাঁদনী (৭) হত্যা ও ধর্ষণের প্রধান আসামি। সে সিরিয়াল ধর্ষক।
সত্যতা নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১ এর গাজীপুরের পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের স্পেশালাইজড কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন।
নিহত আবু সুফিয়ান ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মুনসুরাবাদ এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে। সে টঙ্গীর মধুমিতা দরবার শরীফ এলাকায় বসবাস করত।
কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গত ১৫ মে রাতে মধুমিতা বেলতলা এলাকার সাত বছরের এক শিশুকে দলবেঁধে ধর্ষনের পর গলা টিপে হত্যা করে একদল দুর্বৃত্ত। পরদিন [১৬ মে] টঙ্গীর মধুমিতা রেলগেইট এলাকায় ময়লার স্তূপ থেকে মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে র্যাব। ওই ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা বাদী হয়ে টঙ্গী (পূর্ব) থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় ১৮ মে এই এলাকা থেকে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার কুমড়ি গ্রামের এক কিশোরকে (১৫) গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং ওই কিশোর আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
“ওই কিশোরের দেওয়া তথ্যমতে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে টঙ্গীর মধুমিতা রোড এলাকায় সুফিযানকে গ্রেপ্তারে অভিযানে যান র্যাব-১ এর সদস্যরা। এ সময় সুফিয়ান ও তার সঙ্গের লোকজন র্যাবের উদ্দেশ্যে গুলি ছুড়ে পালানোর চেষ্টা করে।”
র্যাব কর্মকর্তা মামুন আরও বলেন, এ সময় র্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালালে সুফিয়ান গুলিবিদ্ধ হন; অন্যরা পালিয়ে যান। সুফিয়ানকে উদ্ধার করে স্থানীয় শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় এএসআই আতোয়ার ও কনস্টেবল সেলিম নামে দুই র্যাব সদস্যও আহত হয়েছেন।
ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।