গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক
ফরিদপুর সদর উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও বিধবা ভাতার কার্ডের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ পেয়েছে পুলিশ।
বুধবার পৌর এলাকার বাসিন্দা এক নারী (৪৫) বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন।
মামলায় সুজন শেখ (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বরাতে পুলিশ জানায়, ওই নারীর স্বামী এক দশক আগে মারা গেছেন। এরপর থেকে তিনি অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। সম্প্রতি সুজন তাকে ফ্যামিলি কার্ড ও বিধবাভাতার কার্ডের প্রলোভন দেয়। তিনি তাতে রাজি হন। ২ এপ্রিল সুজন ওই নারীকে উপজেলা পরিষদে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। কিন্তু শহরের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এরপর তিনি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস (ওসিসি) সেন্টারে চার দিন চিকিৎসা নেন। ৬ এপ্রিল তিনি বাড়ি ফেরেন। পরে মঙ্গলবার থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দেন।
এ ব্যাপারে আসামি সুজন শেখ তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এই মামলা দেওয়া হয়েছে।
ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে মামলা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
তিনি বলেন, “মঙ্গলবার রাতে ওই নারীকে নিয়ে হোটেল শনাক্তের কাজ করা হয়েছে। কিন্তু উনি স্পষ্টভাবে হোটেলটি শনাক্ত করতে পারেননি। আমরা তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় হোটেল শনাক্ত করব।”