গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক
কালীগঞ্জে ফসলি জমিতে অনুমতি ছাড়া বালু ভরাট করে শ্রেণি পরিবর্তনের চেষ্টার অভিযোগে নাঈম আহম্মেদ মুন্না নামের একজনকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে বালু ফেলার কাজে ব্যবহৃত পাইপলাইন ভেঙে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন হালদার এ জরিমানা করেছেন।
নাঈম আহম্মেদ মুন্না রায়েরদিয়া এলাকার মোস্তফা কামালের ছেলে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, উপজেলার সীমান্তবর্তী নাগরী ইউনিয়নের রায়েরদিয়া মৌজায় তেরমুখ ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় অনেক দিন ধরেই ফসলি জমিতে বালু ফেলা হচ্ছিল। নদীতে ড্রেজার বসিয়ে সেখান থেকে পাইপের মাধ্যমে বালু আনা হতো। কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। পাইপলাইন সড়কের ওপর দিয়ে নেওয়ায় মানুষের চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছিল। বুধবার দুপুরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ফসলি জমিতে অনুমতি ছাড়া বালু ভরাট করে শ্রেণি পরিবর্তনের চেষ্টার দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫(১) ধারায় দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন হালদার।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী একটি মহল প্রকাশ্যে এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। তেরমুখ ব্রিজের আশপাশের আবাদি জমি একটু একটু করে বালুর স্তূপে পরিণত হচ্ছে বলে তারা জানান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমির মালিকদের কয়েকজন সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য। বালু ফেলার কাজে তাদের সহযোগিতা করছেন কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা।