ডাকসুতে ছাত্রশিবিরের সাদিক ভিপি, ফরহাদ জিএস, মহিউদ্দীন এজিএস নির্বাচিত

ডাকসুতে ছাত্রশিবিরের সাদিক ভিপি, ফরহাদ জিএস, মহিউদ্দীন এজিএস নির্বাচিত

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে প্রথমবার অংশ নিয়েই ভিপি পদ পেয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির, বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন আবু সাদিক কায়েম। জিএস হিসেবে তিনি পেয়েছেন নিজেদের প্যানেলের এসএম ফরহাদকে।

প্রতিদ্ব্ন্দ্বী জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রার্থীদের বিপক্ষে ভূমিধসানো জয় পেয়েছেন তারা।

সারারাত অপেক্ষার পর বুধবার সকাল ৮টার পর ভোট ঘোষণা শুরু করেন ডাকসু নির্বাচনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক জসীম উদ্দিন।

এজিএস নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রশিবিরের মুহা. মহিউদ্দীন খান।

শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার গভীর রাতে আট কেন্দ্রের ভোট গণনার প্রক্রিয়া শেষ হয়। পরে কেন্দ্রগুলো থেকে একে একে ভোটের ফল দেওয়া শুরু হয়, যা ভোর রাতের দিকে দেওয়া শেষ হয়। এরপর ঘণ্টা কয়েকের বিরতি দিয়ে সকালে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন থেকে ফল ঘোষণা করা হয়।

ভিপি পদে শিবিরের সাদিক কায়েম পেয়েছেন মোট ১৪,০৪২ ভোট, আর ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫,৭০৮ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমা ৩,৩৮৯ ভোট।

জিএস পদে শিবিরের এসএম ফরহাদ পেয়েছেন ১০,৭৯৬ ভোট। আর ছাত্রদলের শেখ তানভীর হামিম পেয়েছেন ৫,২৮৩ ভোট। এছাড়া বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের আবু বাকের মজুমদার ১,৮০৯ ভোট পেয়েছেন।

এজিএস পদে শিবিরের মহিউদ্দীন খান ১১,৭৭২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্ব্ন্দ্বী ছাত্রদলের তানভীর আল হাদী মায়েদ পেয়েছেন ৫,০৬৪ ভোট।

এবারের ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৮৭৪। এর মধ্যে ছাত্র ভোটার ২০ হাজার ৯১৫ এবং ছাত্রী ১৮ হাজার ৯৫৯ জন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টি কেন্দ্রে ৮১০টি বুথে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে।

নির্বাচনে মোট ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪৭১ জন প্রার্থী। সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে লড়েছেন ৪৫ জন এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৯ জন প্রার্থী।

সব মিলিয়ে এবার একজন ভোটারকে ৪১টি করে ভোট দিতে হয়। ভোট নেওয়া হয় ওএমআর ফরমে, ৬ পাতার ব্যালটে। ১৪টি গণনা মেশিনে ৮টি কেন্দ্রে চলে ভোট গণনা। ফলাফল ঘোষণা করা হয় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে।