কাপাসিয়ায় জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ, আহত অন্তত পাঁচজন

বিশেষ প্রতিনিধি : কাপাসিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর একটি নির্বাচনী মিছিলকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় দলের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার ঘাগটিয়া ইউনিয়নের সালদৈ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জামায়াতে ইসলামীর একটি নির্বাচনী মিছিল সালদৈ বাজার এলাকায় বিএনপির কার্যালয়ের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সেখানে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীরা আপত্তি জানান। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং একপর্যায়ে ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে জামায়াতের ঘাগটিয়া ইউনিয়নের কর্মী জাহিদ ভুঁইয়া, লতিফ ভুঁইয়াসহ তিনজন আহত হন। আহত বিএনপির দুই কর্মীর নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সালাহউদ্দিন বলেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল শেষ করে নেতাকর্মীরা বাড়ি ফিরছিলেন। সে সময় তাদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং তিনজন আহত হন।
তিনি জানান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসের সদস্য মাওলানা শেফাউল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুরোধে নেতাকর্মীদের সেখান থেকে সরে যেতে বলা হয়।
সালাহউদ্দিনের অভিযোগ, সংঘর্ষের সময় জামায়াতের একটি কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু করতে তারা বদ্ধপরিকর এবং সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
অন্যদিকে, কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বিএনপির প্রার্থী শাহ রিয়াজুল হান্নান বলেন, জামায়াতের নেতাকর্মীরা বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়েছে এবং তাদের দুইজন কর্মীকে মারধর করেছে। আহতদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, কাপাসিয়ায় জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আহতের সংখ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কাপাসিয়া থানার ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে বলে তিনি জানান।
পরে কাপাসিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহীনুর আলমকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।



